প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি-জামায়াতের অপরাধ কর্মকাণ্ড থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে দেশের সচেতন জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বলেছেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ধ্বংসযজ্ঞে মেতে উঠেছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। তাহলে কারো ভুল সিদ্ধান্ত এবং ব্যর্থতার জন্য জনগণকে কেন খেসারত দিতে হবে। কেন তাদেরকে পেট্রলবোমায় মরতে হবে। কখনোই এ ধরনের কর্মকাণ্ড সহ্য করা যায় না। সুতরাং জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাস থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে এবং বিশ্বে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে আমি দেশের সকল সচেতন জনগণের সহায়তা চাই।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক-২০১৫ বিতরণ অনুষ্ঠানে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক তুলে দেন।
একুশে পদক প্রাপ্তরা হলেন— ভাষা আন্দোলনের জন্য (মরণোত্তর) পিয়ারু সরদার, স্বাধীনতা যুদ্ধে অধ্যাপক এম মুজিবুর রহমান দেবদাস, ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা, ভাষা ও সাহিত্যে মুহম্মদ নুরুল হুদা, শিল্প ও সংস্কৃতি (মরণোত্তর) আবদুর রহমান বয়াতি, এস এ আবুল হায়াত, এটিএম শামসুজ্জামান, শিক্ষায় অধ্যাপক এম এ মান্নান, শিক্ষায় অধ্যাপক সনত্ কুমার সাহা, গবেষণায় আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাংবাদিকতায় কামাল লোহানি, গণমাধ্যমে ফরিদুর রেজা সাগর, সমাজ সেবায় ঝর্ণাধারা চৌধুরী, সমাজ সেবায় শ্রীমাত সত্যপ্রিয় মহাথেরো, সমাজ সেবায় অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী। প্রত্যেক পদকপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকার একটি চেক এবং একটি ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট দেয়া হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
