আইএস দমনে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার আহ্বান লিবিয়ার

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৮:৫৪
আইএস জঙ্গি মোকাবিলায় দেশটির ওপর থেকে জাতিসংঘ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার আহবান জানিয়েছে লিবিয়া। বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-দাইরি এ আহ্বান জানান। আইএস (ইসলামিক স্টেট) সদস্যদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য লিবীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়াতে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহবান জানান তিনি।
সম্প্রতি লিবীয় উপকূলে ২১ মিশরীয় খ্রিষ্টানকে গলা কেটে হত্যা করে আইএস। এরপরই লিবিয়ার অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়টি সামনে আসে। ২০১১ সাল থেকে লিবিয়ায় অস্ত্র বিক্রির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি  বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন এমন সন্দেহের ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাইরি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন। এজন্য লিবিয়ায় অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। এর ফলে আমাদের সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি গ্রহণ করতে পারবে এবং সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহে ব্যর্থ হই, তাহলে তা সন্ত্রাসীদের হাতকেই শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশ প্রতিবেশী আফ্রিকান ও ইউরোপীয় দেশগুলোর হুমকির মধ্যে রয়েছে।
সম্প্রতি লিবিয়ায় আইএস সংশ্লিষ্ট ইসলামপন্থী সংগঠনের সদস্যদের হাতে ২১ মিসরীয় খ্রিষ্টানের শিরশ্ছেদের ঘটনা ঘটে। এর জবাবে গত সোমবার লিবিয়ায় বিমান হামলা চালায় মিসর। এতে তিন শিশুসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। এ হামলার ব্যাপারে দাইরি বলেন, আমরা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহযোগিতা চাই, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ নয়। সূত্র: বিবিসি