কাউখালীতে গৃহকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৯:০২
 
পিরোজপুরের কাউখালীতে মোবাইল ফোন সেট চুরির অপবাদ দিয়ে তুহিন হাওলাদার (২২) নামের এক গৃহকর্মীকে পিটিয়ে আহত করে মুখে বিষ ঢেলে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে গৃহকর্তা যুবলীগ নেতা সৈয়দ জাকির হোসেন ওরফে সেলিম মীরের বিরুদ্ধে। পুলিশ সেলিম মীরকে গ্রেপ্তার করেছে।
 
 বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহত ওই গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের গৃহকর্তা স্থানীয় যুবলীগ নেতা সেলিম মীর তার বাসার মোবাইল ফোন সেট চুরির অপবাদ দিয়ে তুহিনকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরিবারের অভিযোগ এরপর অভিযুক্ত সেলিম গুরুতর আহত ওই গৃহকর্মী তুহিন হাওলাদারের মুখে বিষ ঢেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান তুহিন। নিহত তুহিন উপজেলার নিলতী গ্রামের দিনমজুর মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে। অভিযুক্ত গৃহকর্তা জাকির হোসেন সেলিম মীর সুবিদপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন মীরের ছেলে। তিনি কাউখালী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি।
 
নিহত তুহিনের স্ত্রী মাকছু আক্তারের অভিযোগ, মোবাইল চুরির মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার স্বামীকে গৃহকর্তা সেলিম মীর, প্রতিবেশী আব্বাস, শাহজালাল এবং  মো. হাসান মিলে ঘরে আটকে রেখে পিটিয়ে জখম করে। পরে তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে হাসপাতালে পাঠায়। দুই দিন চিকিত্সার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায়। এ হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে অপপ্রচার চালায় গৃহকর্তা সেলিম মীর।
 
এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, হাসপাতাল থেকে ওই গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার মুখমন্ডলে ও ঘাড়ে জখমের আলামত রয়েছে। এ ঘটনায় হত্যার অভিযোগ এনে নিহতের পরিবার মামলা দায়ের করেছে। হাসপাতাল থেকে অভিযুক্ত গৃহকর্তাজাকির হোসেন ওরফে সেলিম মীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।