রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো সমাধান হবে। খবর-বাসসের।
আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, ‘রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মমতার সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো সমাধান হবে।’
আবদুল হামিদ বলেন, বাণিজ্য অবকাঠামো বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে এবং এ রাজ্যের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ কাজ করছে।
দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সফর আয়োজন সম্পর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এক সাথে বসে তারা সংস্কৃতি বিষয়ক সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন। তিনি দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের ব্যাপারে তার পরিকল্পনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
মমতা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে পর্যটনের ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি বাস সার্ভিস এবং বাংলাদেশের খুলনা থেকে ভারতের কলকাতার মধ্যে ট্রেন সার্ভিস চালুর ব্যাপারে তার আগ্রহের বিষয়টি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কলকাতায় ‘নজরুল তীর্থ’ এবং আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘নজরুল তীর্থ’ ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এগুলো দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর করবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পত্নী রাশিদা খানম, পশ্চিমবঙ্গে নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পর্যটন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী (দেব), মুনমুন সেন, ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণ এবং রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, ‘রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মমতার সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো সমাধান হবে।’
আবদুল হামিদ বলেন, বাণিজ্য অবকাঠামো বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে এবং এ রাজ্যের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ কাজ করছে।
দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সফর আয়োজন সম্পর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এক সাথে বসে তারা সংস্কৃতি বিষয়ক সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন। তিনি দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের ব্যাপারে তার পরিকল্পনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
মমতা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে পর্যটনের ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি বাস সার্ভিস এবং বাংলাদেশের খুলনা থেকে ভারতের কলকাতার মধ্যে ট্রেন সার্ভিস চালুর ব্যাপারে তার আগ্রহের বিষয়টি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কলকাতায় ‘নজরুল তীর্থ’ এবং আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘নজরুল তীর্থ’ ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এগুলো দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর করবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পত্নী রাশিদা খানম, পশ্চিমবঙ্গে নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পর্যটন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী (দেব), মুনমুন সেন, ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণ এবং রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
