‘নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছরই থাকবে’

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৯:৫৮
 
 
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, ‘নতুন বিবাহ আইনে নারীর বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরই নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর লিখিত সিদ্ধান্ত হাতে এসে পৌঁছেছে।’
রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এমডিজি লক্ষ্য অর্জনে দেশে নারীর অবস্থা ও করণীয় নিয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, জাতীসংঘের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সাথে আলোচনাকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। ‘প্রিপারেটরি মিটিং অন দ্য কমিশন অন দ্য স্ট্যাটাস অব ওমেন (সিএসডাব্লিউ) ফিফটিনাইন’ শীর্ষক এ আলোচনাসভার আয়োজন করে ইউএন ওমেন। সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্রিস্টাইন হান্টার অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন।
আগামী মার্চে জাতীসংঘের সদর দপ্তরে ব্যাজিং সম্মেলনে বাংলাদেশে এমডিজি লক্ষ্য পূরণে নারী পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে। সরকারি ও বেসকারিভাবে সংস্থা এ সম্মেলনে নারী উন্নয়নে অগ্রগতি ও প্রতিবন্ধকতার চিত্র তুলে ধরবে যার ধারাবা
হিকতায় নারী উন্নয়ন জাতীসংঘের সহযোগিতা ও দেশের করণীয় নির্ধারিত হবে। এরই প্রাককালে আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা যেন এমন কোনো পরিস্থি তুলে না ধরি, তাতে আমাদের প্রতি তাদের সকলের সহযোগিতার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আমাদের নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য—অনেক ক্ষেত্রে সফল্য আছে। তবে এটাও ঠিক বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আমরা এখনো কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। তবে এ সকল ক্ষেত্রে আমাদের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাল্যবিবাহ ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর তিনটি প্যানেল আলোচনা হয়। এখানে নারীর কর্মে অপ্রতিষ্ঠানিক খাতকে মূল্যায়ন, প্রতিবন্ধীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীবান্ধব কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, সম্পত্তিতে সম-অধিকার, ধর্মীয় অনুশাসন, ফতোয়া, যৌন নির্যাতন, নারী উন্নয়ন নীতি কার্যকরণ করা এবং নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ আলোচিত হয়।
এ বছর ব্যাইজিং চতুর্থ বিশ্ব সম্মেলন ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার বিশ বছর পূর্তি হবে। তাই এর বিশেষ এক গুরুত্ব বহন করে বলেও তারা জানান। ১৯৯৫ সালে ব্যাইজিং কনভেনসনের যাত্রা শুরু হয়।