জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম আব্দুল খালেক। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪ জন। বুধবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ঘটনাটি ঘটে।
একাধিক এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এবার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) আবুল কালাম আজাদ। তার ভাতিজা চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম খান। গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সেলিম খান রাত ১১টা চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বসে চা পান করছিলেন। হঠাৎ ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জানালা দিয়ে গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। এতে পরিষদের ভেতরে থাকা দেওয়ানগঞ্জ এ কে মেমোরিয়াল কলেজের সাবেক জিএস যযুবলীগ নেতা আব্দুল খালেক (৪২) পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরো ৪ জন। আহতরা হলেন, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মামুনুর রশি মামুন (৩৮), মুসলিম উদ্দিন (৩০), আনার আলী(৩৫) এবং ছাত্রলীগ নেতা মো. রুবেল(২৫)। আহতদের প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ৩১ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুনঃ ঘাটাইলে গাছ চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
এ ব্যাপারে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী বিরোধের জেরধরে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।’
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
ইত্তেফাক/নূহু
