লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার পরিবার। অভিজিতকে বইমেলা থেকে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর পর ঢাকা মেডিকেলের ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার জন্য মরদেহ দান করার ইচ্ছা ছিল অভিজিতের। তার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ দান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী ও মুক্তমনা এই লেখকের মরদেহ রাখা হবে।
লেখালেখি নিয়ে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে অনেকদিন থেকেই হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল জঙ্গিবাদীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে তার লেখার জবাবে বহুবার হত্যার হুমকি দিয়েছিল ফারাবি শফিউর রহমান নামের একজন উগ্রবাদী।
হামলায় তার স্ত্রী ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাও গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
