জঙ্গিবাদ :সারাবিশ্বে এখন দুশ্চিন্তার কারণ

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৫, ১০:৫৮
অভিজিৎ রায় বিকৃত ইসলামের জিহাদী মতাদর্শের চাপাতির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে মৃত্যুর পথে পাড়ি দিয়েছে।  অভিজিতের নিথর দেহ বার্তা দিয়ে গেছে আমাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণার। রাষ্ট্র পারেনি তার বাঁচার অধিকার রক্ষা করতে। তার সহধর্মিণীকেও কোপানো হয়েছে নৃশংসভাবে। তাদের রক্তাক্ত ছবি নিয়ে হোলি খেলেছে সভ্যতার মাঝে বেড়ে ওঠা অসভ্য দানবীয় শক্তি। আহত বন্যার সাহায্যের আকুতি দাঁড়িয়ে থাকা নির্লিপ্ত মানুষের দয়াহীন হূদয়কে নড়াতে পারেনি। জনগণের নিরাপত্তায় ডিউটিরত পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে সক্ষম না হলেও আহত অভিজিেক হাসপাতালে পাঠাতেও সক্রিয়তা দেখাতে ভুলে গেল। কোন মানবাধিকার কর্মীকেও দেখলাম না প্রতিবাদের অস্পস্ট আওয়াজ তুলতে।  সভ্যতার কি নিদারুণ পরাজয়। ধর্মীয় অন্ধত্বে বেড়ে ওঠা দানব মুক্তচিন্তার প্রতিভূকে মুরতাদ বানিয়ে বাঁচার শেষ অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়ে অধর্মের চরম প্রকাশ ঘটাল। কিছুই তাকে বাঁচাতে পারলো না। দেশের সংবিধানে বাঁচার অধিকার নিশ্চিতের কথা কাগজেই রয়ে গেল,  মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা বানিয়ে জাতিসংঘ (ইউনিভারসাল ডিক্লারেশন অফ হিউম্যান রাইটস) সগৌরবে জীবনের অধিকারকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিল। সাথে আন্তর্জাতিক কোভেন্যান্ট অন সিভিল এন্ড পলিটিক্যাল রাইটস বানিয়েও নিরপরাধ মানুষকে বাঁচাতে পারছে না। যারা খুন-খারাবি করছে আইন তাদের শাস্তি দিতে পারছে না। কাদেরকে নিরাপদ করার জন্য এসব আইন করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন রেখে গেল অভিজিত্ আমাদের সমাজের সভ্য মানুষের কাছে।
অভিজিতের শিক্ষক বাবা সর্বজনশ্রদ্ধেয় অজয় রায় যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে প্রতিদান হিসাবে পেলেন ছেলের ক্ষত-বিক্ষত লাশ। শোকে-দুঃখে তিনি বলতে বোধহয় বাধ্য হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনী কি এতই দরিদ্র? স্বাধীন দেশের পুলিশ বাহিনীর দরিদ্রতা দারুণভাবে প্রশ্ন ছুঁড়েছে নাগরিক নিরাপত্তায় তাদের সক্ষমতা নিয়ে। নিরাপত্তার বেড়াজালে ঘেরা বইমেলা এলাকায় অনেক পুলিশের সামনেই অভিজিত্ পরিবার আক্রান্ত হওয়াই নিরাপত্তার বেড়াজাল শব্দটাকে অর্থহীন করে দিল। মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে অনেক উত্কণ্ঠার জন্ম হয়েছে। সেই উত্কণ্ঠা দূর করার মত বিশ্বাসযোগ্য সক্ষমতা আমাদের পুলিশের নিঃসন্দেহে আছে। কিন্তু তার প্রকৃষ্ট নিদর্শন দেখানো বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুব জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে এরকম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত কি করে সম্ভব হলো তার যথার্থ উত্তর বের করা কঠিন। যদিও নিরাপত্তার দেয়ালকে ভেঙ্গে অথবা ডিঙ্গিয়ে জঙ্গি দল অনেক দেশেই হামলাতে সমর্থ হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফোকরগুলো খুঁজে বের করা দরকার এবং সাথে দরকার বড় ধরনের সংস্কার। পুরোনো ধাঁচ থেকে বের হয়ে নতুন ধাঁচের নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দৃশ্যমান।
উগ্র মতাদর্শে অনুপ্রাণিত জঙ্গি দল হিংসাকে চরমভাবে ব্যবহার করে ভিন্ন মত ও পথকে অকার্যকর করে দিতে চায়। চিন্তার উত্কর্ষতা ধর্মীয় অন্ধত্বের জায়গাকে ছিনিয়ে নেবে এই ভয় থেকে উত্থিত হয়েছে উগ্রবাদীদের মানুষ খুনের সংস্কৃতি। নতুন নতুন সামরিক কৌশল তৈরি করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অচল করে দিতে জঙ্গিরা সদা সচেষ্ট থাকে। পুলিশের অস্ত্র, প্রশিক্ষণের উত্কর্ষতা, মানসিক অবস্থা ও স্বভাবসহ বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে সম্যক অবহিত হয়ে অপারেশন পরিচালনা করে জঙ্গিরা। অভিজিতের উপর হামলার ক্ষিপ্রতা ও প্রকৃতি দেখে অনুমিত হয়েছে এটা তাদের কাছে মর্যাদার লড়াই ছিল। একদিকে অভিজিতের যুক্তি ও বিজ্ঞানের কাছে ভয়ানকভাবে পরাজিত হয়ে তাদের মধ্যে প্রচণ্ড আক্রোশ কাজ করেছে, অপরদিকে তার লেখা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও জিহাদি মতাদর্শ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে তাকে হত্যার জন্য বেপরোয়া অপারেশন চালানো হয়েছে। হামলা সফল করার জন্য সেখানে জড়ো করা হয়েছিল আরো অনেক দর্শকবেশী অনুচরদের যারা হামলাস্থল ঘিরে রেখে নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি থেকে আড়াল দৃষ্টি করে ঘাতকদের নীরবে আক্রমণ ও প্রস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। হামলাটি নিঃসন্দেহে সুপরিকল্পিত, দুঃসাহসী, ক্ষিপ্র ও বেপরোয়া ছিল।
যুক্তিবাদী, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তির আদর্শকে জিহাদি মতাদর্শ সবচেয়ে বেশী ভয় পায় এবং সংস্কৃতি চর্চাকে বড় বাধা হিসাবে মনে করে। ভিন্ন মতকে মোকাবিলা করার দুর্বলতা থেকে কতলের পথ বেছে নেয়। হামলা হয়েছে রমনার বটমূলে, হামলা হয়েছে কবি শামসুর রাহমানের উপর, হুমায়ুন আজাদকে কোপানো হয়েছে, উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা মারাসহ অনেক আক্রমণ হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ধর্্ষ হামলা ছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। তা ছাড়াও ধর্মীয়ভাবে জিহাদী মতাদর্শকে প্রশ্রয় না দেয়ায় নিহত হয়েছেন মাওলানা ফারুকী ও গোপীবাগের পীরসহ ছয়জন কামেল। যাদেরকে জিহাদী মতাদর্শের  প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে মনে করেছে তাদেরকেই নির্বিঘ্নে হত্যা করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন সাধক শিক্ষক শফিউল ইসলাম ভুঁইয়াও ছাড় পাননি।
ইদানীংকালে দেখা যাচ্ছে জঙ্গিরা একচ্ছত্র দখল নিতে চায় ইন্টারনেটের যোগাযোগ মাধ্যমের। অন্যমতের সামাজিক নেটওয়ার্কে বিচরণ উচ্ছেদ করার জন্য বারে বারে মুক্তমনা ও প্রগতিবাদীদের উপর হামলা করছে। ব্লগার রাজিবকে একইভাবে হত্যা করা হয়েছিল। অভিজিত্ রায়কে অনেকদিন ধরে অনুসরণ করে হত্যা করা হল। জঙ্গি প্রশিক্ষিত সদস্যদের বিভিন্নস্থান থেকে এনে জড়ো করে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা সংঘটিত করে আবার মানুষের মধ্যে মিশে যাওয়ার কৌশল জঙ্গিবাদীদের কাছে নতুন নয়। অপরাধের  চিহ্ন না রাখার ফলে অপরাধীদের ধরা ও খুনের ক্লু পাওয়া দুষ্কর। ফলে অপরাধী চিহ্নিত করা ও ধরা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ক্লু না পাওয়ার কারণে অনুসন্ধানকারী পুলিশ কর্মকর্তার  উদ্যোগে ভাটা পড়ে এবং অপরাধীরা আইনের বাইরেই থেকে যায় ও ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয় না এবং বিচারও হয় না।  ফারাবির বিরুদ্ধে করা মামলা, জামিন ঠেকানো এবং সন্ত্রাস দমন আইন প্রয়োগের অপ্রতুলতার সাথে সন্ত্রাস-বিরোধী ট্রাইব্যুনাল গঠন না করার পেছনে যুক্তি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এটাও ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে জঙ্গিদের আইনি সহায়তা দিতে জামায়াতের বিশেষ আইনজ্ঞ দল ও অঢেল অর্থ রয়েছে। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে তাদের মুক্ত করে নেবার ক্ষমতা জঙ্গিদের মনোবলকে বলীয়ান করে এবং উত্সাহের উপাদান হিসাবে কাজ করে। নৈতিক ও অনৈতিক সব বিকল্পকে ব্যবহার করতে বেশ পারদর্শী এরা। এখন পর্যন্ত দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারী  বিচার প্রত্যক্ষ করা যায়নি।  
উগ্রবাদী জঙ্গি দল আনসারুল্লা বাংলা সেভেন অভিজিত্ হত্যার দায় স্বীকার করে উল্লাস দেখিয়েছে। এরাই ৫ বছর ধরে অভিজিেক চিহ্নিত করেছে মুরতাদ হিসাবে। তাঁর বিজ্ঞানচর্চা ও যুক্তিভিত্তিক মতকে হারাতে না পেরে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়, হুমকি দেয় বহুবার। ইসলামের বিকৃত ধারায় অনুপ্রাণিত পথভ্রষ্ট কিছু ব্যক্তি তাকে কতল করার রায় ঘোষণা করে  প্রকাশ্যে কার্যকরী করেছে। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রযন্ত্রের শক্তিশালী বাহিনীগুলো কিছুই করতে না পারায় মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে। মুক্ত চিন্তার বিচরণ ঠেকাতেই হত্যা করা হচ্ছে এবং তা ঠেকানো যাচ্ছে না বলে নাগরিক ভাবনার উত্পত্তি। হত্যা করার পেছনে প্রকাশ্য ও গোপন উদ্দেশ্যগুলো আর যাই হোক মহত্ নয়।
ধর্মের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা বা না করা মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতার অংশ। নাস্তিক ও আস্তিকের বিচরণ সম্পর্কে ধারণা নিতে পৃথিবীর ধর্মীয় বিশ্বাসের অবস্থা অনুসন্ধান করছিলাম। পিউ ফোরামের বিশ্বের ধর্মীয় ল্যান্ডস্কেপ ২০১২ থেকে দেখা গেল নাস্তিকতা বর্তমানে ৩য় অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ১৬% অর্থাত্ ১.১ বিলিয়ন মানুষ নাস্তিক।  ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেন ২৩% অর্থাত্ ১.৬ বিলিয়ন মানুষ। এক অভিজিেক হত্যা করে নাস্তিকতা দমন হবে এটা চিন্তার বাইরে। অভিজিেক খুন করলে তার চিন্তা, ধারণা ও যুক্তিকে ধ্বংস করা যাবে বলে যারা মনে করেন তারা আলোকিত মানুষ নন এবং সুস্থ চিন্তার অধিকারী নয়। রসুলে করিম (স:) এর বিরুদ্ধে কিছু বললে কোরান-হাদিসে তার ফায়সালা কি সেটা নির্ধারণ না করে জসিমদ্দিন রাহমানির দেয়া ফতোয়াকে মূলধন করে হত্যার আদর্শ অনুসরণ করে অধর্মই করা হচ্ছে এবং ইসলামের আলোকে অমার্জনীয় গুণাহ।  ফারাবি ও তার জিহাদী দল উঠতি বয়সীদের মগজ ধোলায় করে ধর্মের নামে কুফরির দিকে নিয়ে যাচ্ছে কিনা সেটা যাচাইয়ের সময় এসেছে। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈমান এত ঠুনকো নয় যে কেউ কোন কটাক্ষ করলে ঈমান চুরমার হয়ে যায়। অবিশ্বাসীদের সমালোচনা থেকে হিংস্র না হয়ে মার্জনার দৃষ্টি দিয়ে দেখলে ইসলাম পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ হয়ে আরো পবিত্র রূপে বেধর্মী ও অবিশ্বাসীদের আকৃষ্ট করবে নিঃসন্দেহে। ধর্মের নামে মানুষ খুনের সহিংস মতাদর্শ ইসলামের বিশুদ্ধতাকে মারাত্মকভাবে কলুষিত করে। 
আইনের মারপ্যাঁচে ফেলে হত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা দিতে অনেক দল ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বদের সরব দেখা যায় মানবাধিকারের আড়ালে। সত্যি কথা বলতে কখনও ধর্মীয় অনুভূতির অছিলা, রাজনীতির মারপ্যাঁচের ঝুঁকি এড়াতে রাষ্ট্র বিচার চলমান রাখতে পারলেও ত্বরিত কিছু করতে পারে না। ফলে হামলাকারীদের সাহস বাড়ে। সহিংসতার বিরুদ্ধে জনমতের তীব্রতা থাকলেও খুনিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রলম্বন দেখে মানুষ সন্তুষ্ট হতে পারেনি বরং অসহায়ত্ব থেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছে বেশি। জনগণের অনাস্থা থেকে নিরাপত্তা বাহিনীকে বের হয়ে নতুন আস্থা তৈরিতে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে। জঙ্গি অর্থায়নের পথগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করতে এখন পর্যন্ত নিদর্শন হিসাবে বড় কিছু পাওয়া যায়নি। শিল্প ও বাণিজ্যে উগ্রবাদী ধর্মীয় দলের বিনিয়োগের পরিমাণ অচিন্তনীয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রকে এখন প্রসারিত করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বড় বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়লে শহর ও গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা বিনিয়োগ জঙ্গিদের না খেয়ে মরা থেকে রক্ষার পথ। সে কারণেই পেট্রোল বোমার অর্থায়ন বন্ধ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।   
জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকলেও জঙ্গি দলের কার্যকলাপের উপর নজরদারিতায় প্রাতিষ্ঠানিকতা সৃষ্টিতে দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। চিহ্নিত জঙ্গি ফারাবি দু’বার ধরা পড়ে জামিনে বের হয়ে আবার জঙ্গিত্বে লিপ্ত হবার ঘটনা রোধে সক্ষম না হওয়ায় দুর্বলতা বেশি ফুটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে জিহাদী মতাদর্শে অনুপ্রাণিত করার কৌশল সারাবিশ্বে দুশ্চিন্তার বড় কারণ। বাংলাদেশ আইন তৈরিতে পারদর্শিতা দেখালেও  নজরদারিতা ও ব্যবহার বন্ধে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সৃষ্টিতে নরম থেকেছে। পরিশীলিত জ্ঞানের অপূর্ণতা থাকলেও উচ্চপ্রযুক্তি নির্ভর ও সামরিক জ্ঞানে সিদ্ধহস্ত জঙ্গিগোষ্ঠী মোকাবিলায় চোস্ত ও চৌকস নিরাপত্তা বাহিনীর কোন বিকল্প দেখা যাচ্ছে না। বিশেষায়িত ও ক্ষিপ্র বাহিনী তৈরি করতে না পারলে ভবিষ্যতের আক্রমণ পরাভূত করা দুষ্কর হবে। দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার বিশেষায়িত ইউনিট নতুন ভাবনার ভেতরেই থাকতে হবে। 
লেখক : স্ট্র্যাটেজি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক, ইন্সটিটিউট অব কনফ্লিক্ত, ল’ এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস (আই ক্লডস)-এর নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.)