গোপালগঞ্জে বাস নদীতে পড়ে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ যাত্রী আহত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়ায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেউ নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে যাত্রীরা আশঙ্কা করছেন। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছে।
সড়ক দুর্ঘটনার খবর শুনে জেলা প্রশাসকসহ পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
দুর্ঘটনায় নিহত ইব্রাহিম খালাশী (১২) গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের মৃত সেকেন খালাশীর ছেলে। এতিম ওই শিশু গোপালগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারে নিবাসী। মারাত্মক আহত ২৩ জনকে গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ বেড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবু নাঈম জানান, স্থানীয় রুটের যাত্রীবাহী একটি বাস বেলা ১১ টার দিকে টেকেরহাট থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বেলা ১২ টার দিকে বাসটি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া পৌঁছালে বাসটির সামনোর বাম দিকে চাকা পামচার হয়ে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি মধুমতি নদীতে পড়ে যায়। এরপর সাতরিয়ে অনেক যাত্রী পাড়ে ওঠেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার কর্মীরা একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে।
বাসের যাত্রীরা আবুল কালাম জানান, বাসে অন্তত ৫০/৬০ যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর অনেকে সাঁতার কেটে পাড়ে উঠে আসেন। তবে কোন যাত্রী নিখোঁজ থাকতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনা কবলিত বাসের প্রায় সবাইকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আপাতত নিখোঁজের কোন খবর নেই। বাসটি দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বাস উদ্ধারের পরই হতাহত ও নিখোঁজদের সংখ্যা জানা সম্ভব হবে।
