প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আদালতের গ্রেফতারি ও তল্লাশি পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছানো মাত্রই বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার এবং তার গুলশানের কার্যালয়ে তল্লাশির আদেশ বাস্তবায়ন করা হবে। কারণ দেশের কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। যারা আন্দোলনের নামে নিষ্ঠুরভাবে এতো মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। এটা শুধু এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। আর আইন অনুযায়ী সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। দেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াত নেত্রী খালেদা জিয়ার জ্বালাও-পোড়াও এবং পেট্রোল ঢেলে মানুষ হত্যার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথার্থ পদক্ষেপ না নিলে বহু আগেই জনগণ তাঁকে (খালেদা) গুলশানের কার্যালয় থেকে বের করে দিত।’
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদ নেতা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী বাড়ি ছেড়ে কেন কার্যালয়ে গিয়ে বসে আছেন সেটাই রহস্য? উনি এখন আর কোনো রাজনৈতিক নেত্রী নন, জঙ্গিবাদী নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। দেশে জঙ্গীবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে উনি জঙ্গি-সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো সুস্থ মানুষ দেশের মানুষকে এভাবে পুড়িয়ে হত্যা করতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী তার প্রশ্নোত্তরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হওয়ায় দলের সকল খেলোয়াড়, ম্যানেজার, কোচসহ সংশ্লিষ্টদের সকলকে অভিনন্দন জানান। দেশবাসীর কাছে বাংলাদেশ দলের জন্য দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করবেন, যাতে আমাদের রয়েল বেঙ্গল টাইগাররা সেমিফাইনালে যেতে পারে। সেদিন বেশি দূরে নয়, আমি আশাবাদী বাংলাদেশ একদিন ক্রিকেটেও বিশ্বকাপ জিতবে।
সরকারি দলের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নেতা বলেন, দেশে আইনের কোন অভাব নেই। একাধিক ট্রাইব্যুনালও রয়েছে। যারা এভাবে মানুষ হত্যা করছে তারা বিচারের হাত থেকে রেহাই পাবে না। আর এটা জনগণেরও দাবি।
