মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লোকসান: সঞ্চিতির শর্ত শিথিল

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৫, ১৮:৫৯
 
 
 
 
মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগে লোকসানের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে মিউচ্যুয়ালফান্ডের ইউনিটের গড় মূল্য, ক্রয়মূল্য তার বাজারমূল্য বা নিট সম্পদ মূল্যের যেকোনো একটির চেয়ে ৮৫ শতাংশের বেশি কমে গেলে ব্যাংকগুলোকে সঞ্চিতি রাখতে হবে না। কিন্তু ক্রয়মূল্য এর চেয়ে কম কমলে প্রযোজ্য হারে সঞ্চিতি রাখতে হবে।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজার ও বিনিয়োগকারী ব্যাংকগুলোর সুবিধার্থে এ নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই দিনই প্রজ্ঞাপনটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে। সঞ্চিতির ক্ষেত্রে ঘোষিত ছাড় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এবং তালিকা-বহির্ভূত সব মিউচ্যুয়ালফান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়ালফান্ডগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। আর মেয়াদহীন ফান্ডগুলো তালিকা-বহির্ভূত।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে—ইউনিটের ক্রয়মূল্য তার বাজারমূল্য বা চলতি বাজারমূল্যে নির্ণীত নিট সম্পদমূল্যের (এনএভি) ৮৫ শতাংশের বেশি হলে সঞ্চিতি রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে সঞ্চিতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে দুটি পদ্ধতিতে। মিউচ্যুয়ালফান্ডের ইউনিটের বাজারমূল্য তার এনএভির চেয়ে বেশি হলে লোকসানের সমপরিমাণ অর্থ সঞ্চিতি রাখতে হবে। ইউনিটের গড় ক্রয়মূল্য থেকে তার বাজারমূল্য বাদ দিয়ে লোকসান নির্ণয় করতে হবে। বে-মেয়াদি ফান্ডের ক্ষেত্রে ইউনিটের ক্রয়মূল্য তার এনএভির ৮৫ শতাংশের সমান বা বেশি হলে সঞ্চিতি রাখতে হবে না। কিন্তু তার কম হলে গড় ক্রয়মূল্য ও এনএভির ব্যবধানের সমপরিমাণ অর্থ সঞ্চিতি রাখতে হবে।