ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন পেট্রোল বোমায় দগ্ধদের শরীরে দিনদিন নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থান কুঁচকে যাচ্ছে। কারো আবার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেকেরই মৃত্যু হচ্ছে। চিকিত্সাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকরা বলছেন, পেট্রোল বোমায় দগ্ধ যে সব রোগী ভর্তি রয়েছে, তাদের কেউই আশঙ্কামুক্ত নয়। কারণ গত বছর তিন মাস চিকিত্সাধীন থাকার পরও কারো কারো মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে পেট্রোল বোমায় দগ্ধ ৪৭ জন এখানে ভর্তি রয়েছে।
পেট্রোল বোমায় দগ্ধ ফার্মাসিস্ট সাঈদা ফাতেম নতুন করে বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন। জানালেন গত সপ্তাহে তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় চলে গিয়েছিলেন। বর্তমানে হাত ও কানের অবস্থা খারাপ হওয়ায় পুনরায় ভর্তি হতে হয়েছে। হাতের অপারেশন করা হয়েছে। পেইং ওয়ার্ডে থাকা লেগুনা চালক সেলিম মিয়ার বেশ কয়েকটি অপারেশন করা হয়েছে। চিকিত্সাধীন টুম্পা ও কুনতলা এখনও আশঙ্কামুক্ত নন। তারা দু’জন সম্পর্কে খালাতো বোন। ১ মার্চ রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় বাসে পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হন এ দু’বোন। টুম্পা আইসিইউ’তে ভর্তি রয়েছেন। কুনতলা ৬ তলার কেবিনে রয়েছেন।
