সংবাদ সম্মেলনে পল্লী বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের ১০ দফা দাবি

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৫, ১৮:০৫
 
 
 
 
পল্লী বিদ্যুতের ২০ হাজার শ্রমিকের বেতন বৈষম্য এবং স্কেল নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রতিবাদে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন (প্রস্তাবিত)। শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তাদের এ দাবি না মানলে আগামী ১৬ মার্চ সারা দেশে ৭২টি পল্লী বিদ্যুত্ কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করার ঘোষণা দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।
ইউনিয়নের নেতারা জানান—গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি সমূহের বেতন কাঠামো অন্যান্য বিদ্যুত্ সংস্থার বেতন কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তাবায়নের সুপারিশ করা হয়। সরকারি জাতীয় বেতন স্কেল-২০০৯ যথাযথভাবে অনুসরণ করে এ বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হলেও ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। ইউনিয়নের নেতারা এই বেতন বৈষম্য দূর করে বাত্সরিক বেতন প্রবৃদ্ধি যোগ করার দাবি জানান। পাশাপাশি, অন্যান্য বিদ্যুত্ সংস্থার মতো জরুরি বিভাগে কর্মচারীদের ঝুঁকি ভাতা ৩০%, ওভার টাইম ১০০ ঘণ্টা দেয়ার দাবি জানান। এ ছাড়া, বিআরবিএর মতো অফিসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৪০০ ইউনিট বিদ্যুত্ বিল, বাড়িভাড়া ৬০%সহ ৫% বাত্সরিক বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো—লাইন  টেকনিশিয়ানদের ৭ নম্বর গ্রেড থেকে ৯ নম্বর গ্রেডে উন্নতিকরণসহ সুপারভাইজার পদমর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রমোশনের ক্ষেত্রে কোটাপদ্ধতি বাতিল করতে হবে। মিটার টেস্টার, বিলিং সহকারী এবং সহকারী ক্যাশিয়ারদের ৪ নম্বর গ্রেড থেকে ৬ নম্বর গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। ওয়ারিং পরিদর্শকদের ক্ষেত্রে একই পদে দুই রকম গ্রেড পদ্ধতি বাতিল করে বৈষম্য দূর করতে হবে। বিলিং সুপারভাইজারদের ৭ নম্বর গ্রেড থেকে ওপরের গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। সমকল পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ক্রীসকপ ফান্ড বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুতায়ন-ব্যবস্থা কার্যক্রমে কর্মচারীদের প্রনিধিত্বমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থ পাঠ পাস করার পর সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে কোটাপ্রথা বাতিল করে নিয়োগ করতে হবে। ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করার সাথে সম্পৃক্ত সকল কর্মচারীর হয়রানিমূলক বদলি ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।