পেট্রলবোমায় মানুষ পুড়িয়ে মারা, কথিত ক্রসফায়ার ও গুম-খুনসহ সব ধরনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এবং ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য দেশবাসীকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘আজ হোক কাল হোক জেগে উঠতেই হবে। ’৭১ সালে পাকিস্তানের অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে জেগে উঠতে পারলে এখন দেশের অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবেন না কেন?’ বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির উদ্যোগে রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘চলমান পরিস্থিতি ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে বি. চৌধুরী বলেন, ‘নিয়ম রক্ষার নির্বাচন করেছেন। এবার ওয়াদা অনুযায়ী সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’ ক্রসফায়ার বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। সরকার হিটলার-মুসোলিনিকেও ছাড়িয়ে গেছে। মানুষ একদলকে মেনে নেবে না। এটা সরকারকে বুঝতে হবে। সভায় সভাপতিত্বকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমাদ বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান না হলে মারামারি হবে, দেশের অস্তিত্ব বিনষ্ট হবে। বাংলাদেশের মানুষ ভিন্ন প্রকৃতির। এখানকার মানুষ কিছুদিন অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে। কিন্তু সীমা অতিক্রম করলে জনগণ যা করে তা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর, অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। হিটলার আত্মহত্যা করেছিলেন। মুসোলিনিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমরা চাই না এ দেশের মাটির কোনো সন্তানের সে পরিস্থিতি হোক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদ প্রমুখ।
