জলবায়ু পরিবর্তনে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মধ্যম আয়ের দেশগুলো

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৫, ২২:১৮
 
জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বের সব দেশ সমানভাবে দায়ী নয়। ধনী ও উন্নত দেশগুলোর জীবাশ্ম জ্বালানি-নির্ভর জীবনযাপন এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়া এ সমস্যার জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী। অনেক উন্নয়নশীল দেশও বর্তমানে একই পথ অনুসরণ করছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মধ্যম আয়ের দেশগুলো।
গতকাল সোমবার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (আইইউবি)'সমসাময়িক বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিতর্ক: ঝুঁকি ও প্রত্যাশা' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাজ্যের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত স্যার ডেভিড কিং। 
সেমিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু সমস্যার সমাধান একক ভাবে সম্ভব নয়। এ সমস্যা দেশ, অঞ্চল ও বৈশ্বিক। ধনী তথা অধিক দূষণকারী দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জোরালো এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সেমিনারে জলবায়ু পরির্বতনের নানা দিক তুলে ধরে ডেভিড কিং বলেন, মধ্যম আয়ের দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এর জন্য উন্নত দেশগুলোই দায়ী। তবে ধনী দেশগুলোর এ ধরনের আচরণ থেকে সরে এসে সত্যিকার অর্থে কাজে দেয় এমন প্রকল্প হাতে নেয়া উচিত।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম ওমর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ড. সালিমুল হক, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. কামালউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ড. আতিক রহমান ও অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে দেশি ও বিদেশি পরিবেশকর্মী ও  শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।