স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র আছে এবং থাকবে। তবে গণতান্ত্রিক অধিকারের নামে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষা, সন্ত্রাসী ও বোমাবাজদের উস্কে দেয়া এবং দেশকে ধ্বংসের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। আর জনগণও তা চায় না।
মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল চত্বরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম এ কথা বলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রলীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নাসিম বলেন, বিএনপি নেত্রী ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে সরকারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে চলেছেন। বারবার নির্বাচিত সরকারকে উত্খাতেরও ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু কোন কিছুতেই কাজ হয়নি। জনগণ হরতাল-অবরোধসহ তার ডাকা কোন কর্মসূচিতেই সাড়া দেয়নি। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সহিংসতা চালিয়ে নারী-শিশুসহ নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার পর এখন উনি সংলাপের কথা বলছেন। এর পেছনে হয়তো কোন খারাপ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। কারণ অতীতে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং ফোন করে তাকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। কাজেই সরকার তার সাথে আর সংলাপে বসবে না।
ছাত্রলীগ নেতা দারুস সালাম শাকিলের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. বায়তুল্লাহ কাদের, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জয়দেব নন্দী প্রমুখ।
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোহাম্মদ নাসিম বলেন, খালেদা জিয়ার পরামর্শদাতারাই বিএনপিকে ডোবাচ্ছে, বড় ক্ষতি করছে। পরামর্শদাতাদের কথা না শুনে জনগণের মনের কথা বোঝার চেষ্টা করতে বিএনপি নেত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সহিংসতার পথ না ছাড়লে ভবিষ্যতে মুসলিম লীগের মতো বিএনপির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী এমপির সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রমুখ।
