ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর চারদিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত কোনো মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। তবে বিক্ষিপ্তভাবে কাউন্সিলর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বুধবার তফসিল ঘোষণার পর এ পর্যন্ত ঢাকা সিটি করপোরশন নির্বাচনে মেয়র পদে আগ্রহী ১৩ জন মেয়রপদে আগ্রহী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এর মধ্যে রবিবার ১১ জন মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। জাতীয় পার্টি-জাপার বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল, সিপিবি’র কাফি ও জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ববি হাজ্জাজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। একজন নারী মেয়র প্রার্থীও মনোনয়নপত্র কিনেছেন। শনিবার বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে ইরাদ আহমেদ উত্তর সিটিতে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র কেনেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। ৯ এপ্রিল প্রত্যাহারের সময় শেষে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ভোট হবে ২৮ এপ্রিল। পশ্চিম আগারগাঁওয়ের জেলা নির্বাচন অফিসে উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও মহানগর নাঠ্যমঞ্চে দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তরের নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল, ববি হাজ্জাজ ও আব্দুল্লাহ আল কাফি, মিসেসে হেলেনা জাহাঙ্গীর হেলেনসহ ৮ জন মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের জাপা’র সাধারণ সম্পাদক বাবুল। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের এই বিশেষ উপদেষ্টা আলোচিত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বড় ছেলে হাজ্জাজ বিন মুসা ববি (ববি হাজ্জাজ)। কাফি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির [সিপিবি] কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও যুব ইউনিয়নের সভাপতি। এছাড়া জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, শামসুল আলম চৌধুরী, আনিসুজ্জামান খোকন ও জামান ভুঁইয়া মনোনয়নপত্র কিনেছেন। কাউন্সিলর পদে এ পর্যন্ত ১৬৭ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচন কর্মকর্তা নওয়াবুল ইসলাম জানান, রবিবার মেয়র পদে মো. আখতারুজ্জামান, বাহরানে সুলতান বাহার ও রিয়াজ উদ্দিন মেয়র পদে মনোনয়ন কিনেছেন। কাউন্সিলর পদে এ পর্যন্ত শতাধিক মনোনয়ন বিক্রি হয়েছে।
২৯ মার্চের মধ্যে মনোনয়ন জমা দেয়ার পর ১ ও ২ এপ্রিল বাছাইয়ের পর তাদের প্রার্থিতা নিশ্চিত হবে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
