হরতাল-অবরোধের মধ্যেও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৫, ২১:২২
 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের অযৌক্তিক হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির মধ্যেও রপ্তানি আয় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। রপ্তানি আয়ের এ ধারা অব্যাহত থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব।’
রবিবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘২০১৪-১৫ অর্থ-বছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে রপ্তানি আয় এবং একই সময়ে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চাইতে কিছুটা কম অর্জিত হয়। কিন্তু চলতি অর্থ-বছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে রপ্তানি আয় বিগত অর্থবছরের একই সময়ের চাইতে বেশি। গত অর্থবছরে এ যে সময় রপ্তানি আয় ছিল ২ দশমিক ০৭ শতাংশ, চলতি অর্থবছরে একই সময় রপ্তানি আয় ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘রপ্তানি বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ গ্রহণে বিদেশে বাণিজ্য প্রতিনিধিদল প্রেরণ। রপ্তানি বাণিজ্যে অশুভ বাধা অপসারণে দ্বি-পক্ষীয় আলোচনা।’
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজি মো. সেলিমের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে উত্পাদিত ঔষধ ১০৭টি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ঔষধের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্র্রসারণে বিনামূল্যে নমুনা প্রেরণে সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি এলসি বা ঋণপত্র বাদে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার অথবা প্রতি এলসি বা ঋণপত্রের বিপরীতে এলসি মূল্যের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলারে ঔষধ যেইটি কম হবে সেটা প্রেরণ করা হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংক কেইস টু কেইস-ভিত্তিতে পরীক্ষাপূর্বক এ সীমা বৃদ্ধি করতে পারবে।’