কর্ণফুলি টানেলের কাজ প্রদানে নীতিমালা লঙ্ঘন হয়েছে: টিআইবি

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৫, ১৯:৩৪
ক্রয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে চীনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানিকে কর্ণফুলি টানেল নির্মাণের আদেশ প্রদানের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর সেতু কর্তৃপক্ষের গৃহীত উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়ে এধরনের অবস্থান বাতিলের দাবি জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
 
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটি সরকারি ক্রয় আইন ও ক্রয় নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
 
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রভাবে সরকারি খাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদন্ডে অগ্রহণযোগ্য এই অনিয়ম সংঘঠিত হচ্ছে। চূড়ান্ত বিবেচনায় এর বোঝা জনগণকে বইতে হবে। এটি একদিকে যেমন ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের উদ্বেগজনক বহিঃপ্রকাশ, অন্যদিকে দেশে একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিস্তারের নগ্ন প্রয়াস।
 
তিনি আরো বলেন, সরকারি ক্রয় নীতিমালা লঙ্ঘনের মতো অনৈতিক কাজের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি না করে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এধরনের অনৈতিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে যথাযথ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান।
 
বিবৃতিতে বলা হয়, উল্লিখিত চায়নিজ কোম্পানিটি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বহুমাত্রিক প্রতিষ্ঠানের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় টিআইবি বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। উল্লেখ্য, সরকারি ক্রয় নীতিমালা অনুযায়ী প্রকল্প প্রস্তুতের জন্য পরামর্শক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান একই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন প্রকার পণ্য/মালামাল সরবরাহ বা ভৌত কাঠামো নির্মাণের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে না।