ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোয়নপত্র নেয়া হাজি মোহাম্মদ সেলিমের হঠাত্ নিস্ক্রিয়তা নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সংসদ সদস্য পদ থেকে সিটি নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিলেও মঙ্গলবার রাতে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর হাজী সেলিম আর মুখ খুলছেন না। তিনি কারও সঙ্গে দেখা করছেন না, ফোনও ধরছেন না।
বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপী সমর্থক স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার বাসার নিচতলায় অফিসে অপেক্ষায় থাকলেও তিনি নামেননি। হাজি সেলিমের এই নীরবতায় অনেকে বলছেন, সিটি নির্বাচন থেকে তিনি সরে এসেছেন। আবার কেউ বলছেন, বিএনপি না আসলে সাঈদ খোকনের প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে তিনি সিটি নির্বাচনে অংশ নিবেন। হাজী সেলিমের ব্যক্তিগত সচিব মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, উনার পক্ষ থেকে মঙ্গলবার স্পিকারকে পদত্যাগপত্র দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। তবে সময় আছে। আমরা এখনো আশাবাদী। অন্যদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, হাজি সেলিমের নামে কোনো পদত্যাগপত্র তাদের কাছে আসেনি। প্রসঙ্গত, সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে হলে নিয়ম অনুযায়ী হাজি সেলিমকে সংসদ সদস্য পদ ছাড়তে হবে এবং তা করতে হবে ২৯ মার্চ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই।
হাজি সেলিমের বাসার সামনে অবস্থানকারী এক কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। তার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাখা বক্তব্যেও হাজি সেলিম সংসদ সদস্য পদ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা দক্ষিণ থেকে নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী সাঈদ খোকন ইতিমধ্যে মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
