শত নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় ইসি কার্যালয় ছাড়েন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এর আগে প্রতিনিধি দলটির প্রশ্নের জবাবে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা বলেছেন দুই-তিনদিন সময় বাড়ানো হলে ভালো। কিন্তু আমরা ইতিমধ্যে সময় দুদিন বাড়িয়ে দিয়েছি। শুক্রবার-শনিবার বন্ধ থাকার কথা ছিল। আমরা খোলা রেখেছি। ।
তিনি বলেন, ‘প্রচুর সংখ্যক প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। তফসিল ঘোষণার সময় থেকেই মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য প্রায় ১১ দিন সময় দেয়া হয়েছে, যা যথেষ্ট। সুতরাং প্রার্থীদের কোনো সমস্যা হবে না।
সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, তারা বলেছেন, হঠাৎ করে কেন তফসিল ঘোষণা করা হলো। আমরা বলেছি, হঠাৎ করে তফসিল ঘোষণা হয়নি। এর আগেও একবার তফসিল ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে করা সম্ভব হয়নি। এরপর সীমানা নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। এ বিষয়ে কমিশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বারবার চিঠি দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা সীমানা বিন্যাস করে দিয়েছে। তারপরও ইসি সময় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করেছে। বারবার বলে এসেছি, এপ্রিল-মেতে নির্বাচন হবে। এইচএসসি পরীক্ষা ও রোজার বিষয় মাথায় রেখে তফসিল ঘোষণা করতে হয়েছে।
যারা রাজনৈতিক মামলায় জেলে আটক আছেন বা পুলিশের ভয়ে যারা পালিয়ে আছেন, তাদের ব্যাপারে ইসি কী ব্যবস্থা নেবে, জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এ বিষয়ে তো আমি আশ্বস্ত করতে পারি না। কেউ পালিয়ে থাকলে তাকে কীভাবে খুঁজে বের করব।
এদিকে, শত নাগরিকদের বৈঠকের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিএনপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকারের নীল নকশা অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করে ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আরেকটি প্রতারণামূলক নির্বাচনী নাটক মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন তথা সরকার। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে যে তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে তা গোটা দেশবাসীর ইচ্ছার সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।
