পেসার রুবেল হোসেনের সেই ‘নো বল’টি আবারো বিব্রত করলো ভারতের রোহিত শর্মাকে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আজকের সেমিফাইনালটির প্রাক্কালে গতকাল দলের হয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসে বসলে আবারো রুবেলের বলটির প্রসঙ্গ ওঠে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতীয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান পেসার রুবেল হোসেনের বলটি আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড ‘নো’ ডাকায়। এছাড়াও ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লা রিয়াদ সে খেলাটিতে আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হন। এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, প্রতিবাদের ঝড় তোলে। আম্পায়ারিং পক্ষপাতমূলক হয়েছে উল্লেখ করে প্রয়োজনে আইসিসির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার কথাও বলেন আ হ ম মুস্তফা কামাল।
‘নো’ বল ডাকায় আম্পায়ারদের সমালোচনা করেন শেন ওয়ার্ন থেকে শুরু করে অনেক সাবেক ক্রিকেটার আর ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। ব্যাপারটা এখনো আলোচিত হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই সেমিফাইনালের আগে গতকালের সংবাদ সম্মেলনে আবারো প্রসঙ্গটি ওঠে। যদিও রোহিত জানান, তিনি এটা নিয়ে ভাবছেন না। ভারতের এই ব্যাটসম্যানটি বলেন,‘আমি জানি না, বাংলাদেশে কী হচ্ছে। এটা খেলার অংশ। আপনাকে কিছু সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে এবং কখনো কখনো আপনি কিছু সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন না, ব্যাপারটা এরকমই।’
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১৯ মার্চ কোয়ার্টার-ফাইনালের এ ম্যাচটিতে দুই আম্পায়ার পাকিস্তানের আলিম দার ও গোল্ডের কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ভারতের কাছে ১০৯ রানে হারে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংসের ৪০তম ওভারে ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্তটি দেন আম্পায়াররা। ওভারের চতুর্থ বলটি ফুলটস দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। বলটি বাউন্ডারিতে মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ইমরুল কায়েসকে ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা।
তবে পাকিস্তানের আম্পায়ার আলিম দার বোলিং প্রান্তে থাকা ইংল্যান্ডের আম্পায়ার গৌল্ডকে বলটি কোমরের ওপরে ছিল বলে সংকেত দেন। গৌল্ড তখন ‘নো’ ডাকলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ক্যাচটি দেওয়ার সময় ৯০ রানে থাকা রোহিত পরে বিশ্বকাপে তার প্রথম শতকের দেখা পান। ১২৬ বলে ১৩৭ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন রোহিত। আর তখন তিন উইকেটে ১৯৬ রানে থাকা ভারত শেষ পর্যন্ত ছয় উইকেটে ৩০২ রান তোলে। বিতর্কিত এ খেলাটিতে জিতেই সেমিতে ওঠে ভারত।
