র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ( র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, জঙ্গি, সন্ত্রাস ও নিরাপদ মুক্ত সমাজ গড়তে র্যাব প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার র্যাবের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন। রাজধানীর উত্তরা র্যাব সদর দফতরের কনফারেন্স কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করা হয়।
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, র্যাব অল্প সময়ের মধ্যে গনণমানুষের বুকে স্থান করে নিয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও অভিঞ্জতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে এদেশের আপামর জনগণের জন্য র্যাব কাজ করতে চায়। তিনি বলেন, র্যাব জঙ্গি মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত ও নিরাপদমুক্ত সমাজ গড়তে চায়।
তিনি র্যাবের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে এলিট ফোর্স র্যাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন র্যাবের এডিজি (অপারেশন) কর্নেল জিয়াউল আহসান, এডিজি (প্রশাসন) কর্নেল আলতাব উদ্দিন আহমেদ, লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মূফতি মাহমুদ খান, র্যাবের গোয়েন্দা প্রধান লে.কর্নেল আবুল কালাম আজাদ, ডিডি মিডিয়া মেজর রুম্মন, মেজর মাকসুদ আলম।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদ বলেন, নিরাপদ সমাজের জন্য জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দূর করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এদেশ ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। এই প্রজন্মের দায়িত্ব হচেছ সম্মিলিতভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
র্যাবের নতুন ব্যাটালিয়ন করা হবে কিনা সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বেনজীর আহমেদ বলেন, র্যাব হচ্ছে একটি এলিট ফোর্স। দেশব্যাপী র্যাব কাজ করছে। ৭টি লক্ষ্য নিয়ে র্যাব সৃষ্টি করা হয়েছিল। র্যাবের এখন অনেকটা বৈচিত্র্য এসেছে। র্যাবকে সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
র্যাব মহাপরিচালক আরো বলেন, মানুষের মাঝে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে চাই। যে কোন ধরনের সমস্যা সমাধানে র্যাব কাজ করবে। আর র্যাবের চালিকা শক্তি হলো সাধারণ মানুষের ভালবাসা।
দেশব্যাপী গত ২ মাসের অবরোধ ও হরতাল নাশকতা এবং জ্বালাও-পোড়াও সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে র্যাব ডিজি সাংবাদিকদেরকে বলেন, সন্ত্রাস মোকাবেলা করছে র্যাব।
র্যাব ডিজি আরো বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এখন অনেক ভাল। বিচার ব্যবস্থা অনুযায়ী র্যাব প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে কাজ করে। দেশ অপরাধমুক্ত করতে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচেছ।
র্যাবের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আজ উত্তরাস্থ র্যাব সদর দফতরের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিনব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকাল ৮টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, র্যাবের দরবার হলে র্যাব মহাপরিচালকের সাথে অন্যান্য সকল ব্যাটালিয়ন ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক, পুরস্কার বিতরণ।
চলতি বছরের র্যাবের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য র্যাব কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন বেনজীর আহমেদ । এসময় র্যাবের অন্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
