শুরুতেই অনেক শুভেচ্ছা গুণী এই মানুষটিকে। রাজ্জাক কাকু অনেক বড় একজন মানুষ। তার প্রাপ্য সম্মানটুকু তিনি পেয়েছেন। আমাদের গর্বের নাম নায়ক রাজ। জীবিত অবস্থায় তিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন এটিই অনেক বড় প্রাপ্তি। অবশ্য তার এই প্রাপ্তিটা অনেক আগেই পাওয়া উচিত ছিল। তার এই প্রাপ্তির পর আমি, ববিতা আপা, দিতি, রিয়াজ’সহ কয়েকজন তার বাসায় যাই শুভেচ্ছা জানাতে। সেখানে অনেকদিন পর যেন এক পূনর্মিলন ঘটে। চলচ্চিত্র ও ব্যক্তি জীবনের নানা বিষয় নিয়ে আমাদের আড্ডা চলে। রাজ্জাক কাকুর বাসার পরিবেশের সাথে আমার পরিচয় বহুদিনের। তাই সেই পরিবেশে কখনও নিজের বাসার চেয়ে ভিন্ন কিছু মনে হয় না আমার। এমনিতে তার বাসায় আমার প্রায়ই যাওয়া আসা। আমার গুরু তিনি। বাবা বলেও ডাকি। তার হাত ধরেই আমার চলচ্চিত্র জগতে আসা। ‘চাপা ডাঙার বউ’ ছবির জন্য যখন নায়িকা খোঁজা হয় তখন পরিচালক জহিরুল হক আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন রাজ্জাক কাকুর সঙ্গে। তিনি আমাকে দেখার পর আমার বাবা অমলেন্দু বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেন। অনুমতি পেয়ে আমাকে ও বাপ্পারাজকে জুটি করে নায়ক রাজ নির্মাণ করেন ‘চাপা ডাঙ্গার বউ’ চলচ্চিত্রটি। তখন রাজ্জাক কাকু মানে তো বিশাল ব্যাপার। সেটা এখনও। এরপর অনেক কাজ করা হয়েছে। ধীরে ধীরে তার পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠি আমি। দুঃখের বিষয় তাদের বড় মেয়েটা মারা যায়। আমার বয়সের ছিল। জন্ডিসে আক্রান্ত ছিল। তখন দু’বার রক্তের প্রয়োজন হয়। ভাগ্যক্রমে আমার সাথে রক্তের গ্রুপ মিল ছিল। আমিই দু’বার রক্ত দিয়েছিলাম।
