ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) অষ্টম আসর শুরু হতে বাকি আর মাত্র সপ্তাহ খানেক। আগামী ৮ এপ্রিল ইডেন গার্ডেনসে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ও মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের খেলা দিয়ে শুরু হবে এবারের আসর। কিন্তু এই সময়ে এসে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, সুনীল নারিনের বিষয়ে দাবি মেনে না নিলে এবারের আসর থেকে নাম প্রত্যাহার করে দিতে পারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কেকেআর।
সুনীল নারিনের বিপক্ষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ এনে তাকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে। গতবছর চ্যাম্পিয়নস লিগের সময় এই নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে পারেননি তিনি। যদিও আইসিসির কোনো আম্পায়ার কখনো নারিনের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। তারপরও নারিন নিজেই বোলিং অ্যাকশন শুধরানোর সময় নেয়ার জন্য বিশ্বকাপ থেকে দূরে থাকেন। পরে লাফসবোরোতে ব্যক্তিগত আয়োজনে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়ে আইসিসির ছাড়পত্র পান। কিন্তু মুম্বাই মিরর পত্রিকার খবর অনুযায়ী বিসিসিআই এই ছাড়পত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা বলেছে, বিসিসিআইয়ের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে নিষিদ্ধ হওয়ায় বিসিসিআইয়ের তত্ত্বাবধানে চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে হবে নারিনকে।
এই খবরে নাকি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছে কেকেআর কর্তৃপক্ষ। তারা বিসিসিআইয়ের বিপক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বিবেচনা করছে। এমনকি আইসিসি রিপোর্টের ভিত্তিতেই নারিনকে খেলার অনুমতি না দিলে কেকেআর এই আসর থেকে নাম প্রত্যাহারও করতে পারে বলে পত্রিকাটি দাবি করেছে। কেকেআর কর্তৃপক্ষ তাদের এই দাবি নিয়ে বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার সঙ্গে দেখা করেছে। তারা দাবি করছে, নারিনকে নয়, কেকেআরকে লক্ষ্য করে এসব কাজ ঘটানো হচ্ছে। যুক্তি হিসেবে তারা বলেছে, গত আইপিএলেও নারিনের অ্যাকশন নিয়ে কোনো কথা হয়নি, আন্তর্জাতিক মহলেও কথা হয়নি। হঠাত্ করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পরপর দুটো ম্যাচে এই প্রশ্ন তোলা হয়। এটা নির্দিষ্ট একটি দলের ইশারায় হচ্ছে বলে দাবি করছে তারা।
ডালমিয়ার অফিস জানিয়েছে, অভিযোগটি সভাপতির টেবিলে আছে। দু’একদিনের মধ্যে সমাধান পাওয়া যাবে।
