বাগেরহাটের রামপালে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু কামরুল শেখ (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। র্যাব ঘটনাস্থল থেকে আটটি দেশি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রামপাল উপজেলার কাটাখালী এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ছয়টি বন্দুক, একটি কাটা রাইফেল এবং একটি বিদেশি এয়ারগান ও ৫০টি গুলি।
নিহত কামরুল শেখ বাগেরহাটের মংলা উপজেলার মিঠাখালী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে এবং রামপাল উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ভাগ্নে। কামরুল রামপাল উপজেলার কাটাখালী গ্রামের মামার বাড়িতে থাকতেন।
র্যাব-৮ এর উপঅধিনায়ক মেজর আদনান কবির বলেন, জলদস্যু রাজু-ফরহাদ বাহিনীর উপ প্রধান কামরুল শেখের নেতৃত্বে ৮-৯ জনের একটি দল সুন্দরবনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিতে রামপাল এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ অভিযানে যায়। জলদস্যু কামরুল র্যাবের উপস্থিতি টেরপেয়ে গুলি বর্ষণ শুরু করলে র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিট থেকে সাতটা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে কামরুল বাহিনী পিছু হটলে র্যাব সেখানে তল্লাসি চালিয়ে কামরুলে গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় গ্রামবাসী এসে জলদস্যু কামরুলকে সনাক্ত করে।
ঘটনাস্থল থেকে আটটি দেশিবিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বাগেরহাটের রামপাল ও খুলনার দাকোপ থানায় সুন্দরবনের জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের অপহরণ এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
