এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ হননি জাতীয় দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। তার মতে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে। হতাশ করেছেন শুধু গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটন। মামুনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় অনুর্ধ্ব-২৩ ফুটবলের খেলা দেখেছেন। তারা সবাই বিব্রত হয়েছেন লিটনের পারফরম্যান্স দেখে। গোলকিপারের কারণে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের কাছে অসহায় ছিল। সিরিয়া, উজবেকিস্তানের ফুটবলাররা সবচেয়ে দুর্বলতম জায়গাটি খুঁজে পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গোলপোষ্টের নিচে দাঁড়ানো মানুষটিকে। মামুনুল গোলকিপার লিটনকে নিয়ে খেলেছেন। আগের অভিজ্ঞতা আছে। তার পরও লিটনের অসায়হাত্ব দেখে শুধু হতাশাই হয়নি। কিছুটা ক্ষোভও ঝরেছে মামুনুলের কণ্ঠে।
মামুনুল বললেন,‘এভাবে কোনো গোলকিপার গোল খায় না। ও (লিটন) যেভাবে পজিশন নিয়ে ছিল একটা কল্পনাই করা যায় না। দুই কদম এগিয়ে এসে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে বাঁধা দিতে হবে এটা কোনো গোলকিপারকে শিখিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই।’
লিটনের প্রসঙ্গে মামুনুলের কথায় স্পষ্ট হয়ে যায় লিটন তার বোকামির কারনে গোল হজম করেছে। পাইওনিয়র ফুটবল সুপার লিগের ড্র অনুষ্ঠানে বাফুফে ভবনে এসেছিলেন সাবেক তারকা ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন আহেমদ চুন্নু, সাবেক ষ্ট্রাইকার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব, আসার কথা ছিল মামুনুল ইসলামের। ড্র অনুষ্ঠান শেষে চুন্নু, নকিবরা যখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন তখন প্রবেশ করে মামুনুল ইসলাম। কথা বলেন সংবাদ মাধ্যমের সাথে।
মামুনুল বললেন, ‘লিটন যেসব ভুল করেছে একটা নতুন গোলকিপারও এমন ভুল করবে না। নিজের জ্ঞানটা ব্যবহার করতে হয়।’ বাছাইয়ের ই গ্রুপে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই খেলেছেন লিটন। দলে আরো ছিলেন দুই জন গোলকিপার। তাদের দিয়েও পরীক্ষা নেয়া যেতো কিনা? মামুনুল বললেন,‘ওরা পরীক্ষা দেয়ার মতো না। ভালো লিটন তো জাতীয় দলেও খেলেছেন। ওর তো এমন হওয়ার কথা না। লিটনের প্রসঙ্গটি বাদ দিলে বাকি সব খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ভালো। অনেকই নতুন খেলোয়াড়। লিগ ম্যাচে খেলার সুযোগ পায়নি সেভাবে। তবে আমি বলতে পারি এই দলটা সামনে ভালো খেলবে।’
