ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চুক্তির সম্ভাবনা জোরালো

চুক্তি হলে এক বছরেরও কম সময়ে পরমাণু বোমা তৈরি করবে ইরান

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৫, ১৭:০৬
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির শেষদিনের আলোচনায় প্রাথমিক চুক্তির ‘জোরালো সম্ভাবনা’ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়া ও ইরানের কর্মকর্তারা। এদিকে পরমাণু ইস্যুতে চুক্তির সম্ভাবনা যখন চূড়ান্ত, তখন এর সমালোচনায় মেতেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ চুক্তি  দেশটির পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ হওয়ার পথকে আরো সহজতর করবে বলে জানান তিনি। গত মঙ্গলবার ২০ তম নেসেট (পার্লামেন্ট) সদস্যদের অভিষেক অনুষ্ঠানে একথা বলেন নেতানিয়াহু।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মঙ্গলবার ফের সুইজারল্যান্ডের পরমাণু আলোচনায় যোগ দেয়ার কথা জানিয়ে বলেন, তারা চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। তাছাড়া ‘সকল গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’তে একমত হয়েছে তারা। কিন্তু পশ্চিমা কর্মকর্তারা বলছেন, এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আলোচনায় যথেষ্ট গতি এসেছে, তবে কিছু ইস্যু নিয়ে সমস্যা এখনো রয়েছে। অপরদিকে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফও আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির কথা স্বীকার করেছেন এবং বুধবারের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ওদিকে  নেতানিয়াহু সবসময় এ চুক্তির বিষয়ে সমালোচনা করে আসছেন। তিনি বলেন, এর ফলে দেশটি গোপনে নয়, প্রকাশ্যে তাদের পরমাণু কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই একবছরেরও কম সময়ে তারা পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে সক্ষম হবে। সুইজারল্যান্ডের লুসানে পি৫+১ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া এবং জার্মানি) তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি হ্রাসকরণের লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ চুক্তির বিনিময়ে ইসলামি রাষ্ট্রটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে। ইরান ও ছয়জাতির মধ্যকার চুক্তির চূড়ান্ত সময়সীমা মঙ্গলবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।