শ্রীনিবাসন-ডালমিয়া মুখোমুখি

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৫, ১৫:০৫

আইসিসি সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে আ হ ম মুস্তফা কামাল এন শ্রীনিবাসনকে আক্রমণ করে কথা বলায় একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু গত দু দিন ধরে হাওয়া ঘুরতে শুরু করেছে। খোদ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়েছে আইসিসি চেয়ারম্যান ও সাবেক বিসিসিআই  সভাপতি শ্রীনিবাসনের। ফলে ভারত যথাসময়ে বাংলাদেশ সফরে আসবে এবং ভারতীয় বোর্ড চূড়ান্ত লড়াইয়ে শ্রীনিবাসনের বিরোধীতা করবে বলে খবর প্রকাশ হতে শুরু করেছে সে দেশের সংবাদ মাধ্যমে।

বাংলাদেশ-ভারত কোয়ার্টার ফাইনালের পর আইসিসি সভাপতি মুস্তফা কামাল আম্পায়ারিং নিয়ে কিছু মন্তব্য করেন। সে সূত্র ধরে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে কামালকে বাদ দিয়ে ফাইনালে ট্রফি বিতরণ করেন শ্রীনিবাসন। এই প্রেক্ষিতে দেশে ফিরে আইসিসি থেকে পদত্যাগ করেন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী মুস্তফা কামাল।
ভারতীয় একটি পত্রিকা বলছে, এই ঘটনায়ই শ্রীনিবাসনের ওপর প্রথম চটেন বিসিসিআইয়ে নতুন করে সভাপতি পদে ফিরে আসা বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু ডালমিয়া। যদিও বিসিসিআইয়ে একটা মত তৈরি হয় যে, বাংলাদেশ সফরে আসবে না তারা। কিন্তু ডালমিয়া এটাকে ব্যক্তি শ্রীনিবাসনের সমস্যা হিসেবে দেখতে চান। এর মধ্যে শ্রীনিবাসন আবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডালমিয়ারই প্রিয় প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল বন্ধ করে দেওয়ার। সবমিলিয়ে ডালমিয়া একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না শ্রীনিবাসনের ওপর; যদিও তারই সমর্থনে সভাপতি হয়েছেন ডালমিয়া।

এই দুইজন যে মুখোমুখি হতে চলেছেন তার সর্বশেষ প্রমাণ মিললো আইপিএলের চেয়ারম্যান নির্বাচন প্রসঙ্গে। এখানে শ্রীনিবাসনের পছন্দের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অজয় শিরকেকে ডালমিয়া দায়িত্ব দেবেন বলে খবরে প্রকাশ। এই অজয় শিরকেই শ্রীনিবাসন বিরোধী আন্দোলনের শুরুতে তার বিপক্ষে কথা বলে পদত্যাগ করেছিলেন।