মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ফাঁসির আসামি জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌছছেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় তারা কারাগারে যান
একটি মাইক্রোবাসে করে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মোট ১৬ জন কারাগারে পৌঁছান। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তারা কারা ফটক দিয়ে ভেতরে যান বলে সেখানে উপস্থিত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক কামাল তালুকদার জানান।
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কামারুজ্জামানের স্ত্রী নুরুন্নাহার, তিন ছেলে হাসান ইকবাল, হাসান ইমাম ও আহমেদ হাসান; মেয়ে আতিয়া নূর; কামারুজ্জামানের ভাই কামরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আফিয়া নূর; এই জামায়াত নেতার ভাতিজা আরমান, ভাতিজী আরিফা ও মলি; শ্যালক রুম্মান; ভাগ্নি রোকসানা জেবিন, জিতু, মুন ও মনি এবং বিউটি নামে এক আত্মীয়া রয়েছেন।
এরআগে কামারুজ্জামানের ছেলে হাসান ইকবাল জানিয়েছেন, কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের চিঠি দিয়ে বলেছে, আমরা চাইলে সোমবার বিকাল পাঁচটায় কারাগারে সাক্ষাৎ করতে পারি। আমরা ঐ সময়ের মধ্যেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যাব।
অবশ্য তারা কারাগারে পৌঁছেছেন সন্ধ্যা পৌনে সাতটায়।
দণ্ড কার্যকরের আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করতে পারবেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান। এজন্য আলোচনা করতে তার আইনজীবীরা সাক্ষাৎ করতে চাইলেও তারা কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাননি।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ৯ মে কামারুজ্জামানকে ফাঁসির আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন তিনি।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেয়।
