রাষ্ট্রদ্রোহ ও সেনা বিদ্রোহে উস্কানির মামলায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এই আবেদন নাকচ করেন।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুই দফায় ১০ দিন করে মান্নাকে রিমান্ডে পাঠায় আদালত। সে সময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়কের জামিন চেয়ে আবেদন করা হলে তা নাকচ হয়।
মহানগর হাকিম আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে যান মান্নার আইনজীবী আব্দুল মান্নান খান।
আবেদনের শুনানি শেষে দুই মামলায়ই মাহমুদুর রহমানের জামিন নাকচ করে আদালত।
নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা এবং অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার টেলিআলাপের দুটি অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি মান্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ফাঁস হওয়া টেলিফোন কথোপকথনে ঢাকার সাবেক মেয়র খোকার সঙ্গে আলাপচারিতায় সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলা নিয়ে মান্নাকে কথা বলতে শোনা যায়। আর অন্যটিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করতে শোনা যায় তাকে।
গ্রেপ্তারের পর সেনা বিদ্রোহে উসকানির মামলায় মান্নাকে ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের অন্য মামলায় দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নিলে এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
সে সময় চিকিৎসার জন্য মান্নাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি।
মান্নার চিকিৎসার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়ে আসছে তার পরিবার।
