ওয়ার্ড-১৭, ঢাকা উত্তর

গলির মোড়ে আবর্জনার স্তূপ অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৫, ১৫:৩৪
ঢাকা উত্তর সিটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ড। গলির রাস্তা সরু। সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়িও সব রাস্তায় ঢুকতে পারে না। ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় গলির মোড়ে। আর এটা নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে মনোমালিন্য লেগেই থাকে। প্রতিদিন বসাতে হয় সালিশ বৈঠক।
 
এছাড়া সড়কে লাইট পোস্ট না থাকায় প্রায়ই ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমে যায় পানি। আছে সুপেয় পানির সমস্যাও। প্রার্থীরা এসব ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে সেরে নিচ্ছেন প্রচারণা। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বলেছেন, আবর্জনার সমস্যা থেকে সকল সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান যে প্রার্থী দিতে পারবেন আমরা সমর্থন দেবো তাকেই।
 
ঢাকার অভিজাত ওয়ার্ড ১৭ নম্বরের রয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এই ওয়ার্ডের আয়তন ৫ দশমিক ৫ বর্গকিলোমিটার। এই ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলো হলো- নগদা, জোয়ার সাহারা, কুড়িল, কুড়াতলী, খিলক্ষেত, মোল্লা পাড়া, খাঁ পাড়া ও নিকুঞ্জ।
 
এই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ১৮ জন। এরা হলেন- মো: আবুল হোসেন, মো: নূরুল ইসলাম, মো: ওমর আলী, আমিনুল ইসলাম, মো: ইসহাক মিয়া, মো: ফরিদ উদ্দিন মৃধা, মো: মিজানুর রহমান, মো: আসলাম উদ্দিন, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: জিন্নাত আলী, মো: বিল্লাল হোসেন, কাজী হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আলী শেখ, মো: ইসরাফিল আশরাফ, মো: রেজাউল কবীর, মো: শাহিনুর আলম, মো: জাহেদ আলী, মো: আজাহার উদ্দিন। এসব প্রার্থীদের বেশির ভাগ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
 
এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১ লাখ ৪ হাজার ৩৪০ জন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৫৬ হাজার ৫৩১ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৮০৯ জন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বহিরাগত ভোট ব্যাংক যেই প্রার্থীর দিকে যাবে তার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
 
মো: ইসরাফিল আশরাফ বলেন, মানুষের কাজ করার জন্য কাউন্সিলর। মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। সব সমস্যায় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পাশে থেকে সমাধানের অঙ্গীকার করছি। তিনি বলেন, ওয়ার্ডের মানুষের অনুরোধে আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। এই এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক। ভোটারদের উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। 
 
মো: জাহেদ আলী বলেন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। সেটা নিশ্চিত করতে যা করণীয় তাই করব। তিনি বলেন, ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর ব্যবস্থা করবো। নিরাপত্তার পাশাপাশি উন্নয়নের দিকেও সমান নজর দিতে চাই। সুপেয় পানি, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, মশক নিধনসহ নাগরিক সকল সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো।