পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ‘নানা হতাশার মধ্য দিয়েও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে বিশ্বের সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তিসহ নানা খাতে এগিয়ে যাবার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে আমরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছি।’ বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আবেদন কার্যক্রমের অটোমেশন প্রক্রিয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাস্তবায়নাধীন একসেস টু ইনফেরমেশন (এটুআই) কর্মসূচির মাধ্যমে এই অটোমেশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হচ্ছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরেও বাংলাদেশ নিয়ে অনেকে হতাশা ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে রাজনীতি নিয়ে কারো কারো হতাশা বেশি। কিন্তু এ রাজনীতি এবং হতাশার মধ্য দিয়েও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া থেমে নেই।’
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদরা চুপ থাকলে কিংবা সঠিক দিক-নির্দেশনা না দিলেও আমলাতন্ত্র অনেক সময় সে শূন্যতা পূরণ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমলারা যে ব্যতিক্রম নেই তা নয়। তবে তাদের অধিকাংশই দেশের জন্য কাজ করেন।’
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী বলেন, ‘ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া অটোমেশন হবার পর সব কিছু রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যাবে বলে মনে করা ঠিক নয়। কারণ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হিমালয় পর্বত সমান ক্ষমতার অধিকারীরা নানাভাবে কাজ করিয়ে নেন। তবে ছাড়পত্রের অটোমেশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তার পুত্র একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় তথ্যসেবা পৌঁছে দিতে তথ্যপ্রযুক্তি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রাইসুল আলম মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। গেস্ট অব অনার ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) এটুআই প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার।
