নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সাঁতার শেখান হবে। নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে সাঁতার প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন যুক্ত করে একটি পরিপত্র জারি করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এ পরিপত্র প্রকাশ করে। এর আগে এ সংক্রান্ত একটি খসড়া পরিপত্র মতামত নেয়ার জন্য প্রকাশ করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে পরিপত্রটি চূড়ান্ত করে এখন প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’ অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা পাঠ্য বিষয় হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে সাঁতারকে অন্যতম একটি ক্রীড়া হিসাবে গণ্য করার পাশাপাশি জীবন রক্ষাকারী কৌশল চর্চা হিসাবে দেখা হচ্ছে। ৫ থেকে ১৭ বছরের ছেলে-মেয়েদের ওপর পরিচালিত ইউনিসেফের এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ জন এবং প্রতি বছরে প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ছেলে-মেয়ে সাঁতার না জানার কারণে ডুবে মারা যায়। তাই সরকার এখন থেকে দেশের সব উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সমমানের মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে সাঁতার প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে পরিপত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘শিক্ষার্থী তথা আগামী প্রজন্মকে জীবন রক্ষাকারী কৌশল চর্চায় সক্ষমতা অর্জনে দেশের সকল উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সমমানের মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাঁতার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’
