রাজধানীর তিন স্থানে ছিনতাই

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৫, ২০:১৮
 
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় তিন ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে টাকা-সিএনজি আটোরিকশা লুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আহত অবস্থায় ওই তিনজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন- ব্যবসায়ী আইনুল হক, সিএনজি চালক শুক্কুর আলী ও বাসের স্টাফ মুক্তার হোসেন।
 
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগীরা। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
 
জানা গেছে, যশোরে ব্যবসায়ীক কাজ শেষে বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে ঢাকায় আসেন ব্যবসায়ী আইনুল হক। তিনি সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে নেমে যাত্রাবাড়ি ১১/বি রায়সুল গনি রোডের বাসায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে ৪/৫ জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে ছুরিকাঘাত করে তার কাছে থাকা ২৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করেন। এই ঘটনার ২ ঘণ্টা পর ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন সিএনজি চালক শুক্কুর আলী। দুর্বৃত্তরা যাত্রীবেশে সিএনজিতে উঠে তাকে কুপিয়ে মোবাইল ও গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
 
ঢাকা মেডিক্যালে আহত শুক্কুর আলী বলেন, ভোর ছয়টার দিকে সদরঘাট থেকে চারজন যাত্রী জুরাইন যাওয়ার কথা বলে তার গাড়িতে বসেন। সাড়ে তিনশ’ টাকা ভাড়া ঠিক করা হয়। জুরাইন রেলগেট এলাকায় এসে তারা নেমে পাঁচশ’ টাকা দিয়ে বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেন। এ সময় খুচরা নেই বলায় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে অটোরিকশা ও একটি মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করেন। ঢাকা মেডিক্যাল সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে চালকের মাথায় ও হাতে জখম হয়েছে। জানা গেছে, শুক্কর আলী ১২৫/১ উত্তর যাত্রাবাড়ি বাস করেন। তার বাবার নাম আমির হোসেন।
 
জানা গেছে, গত বুধবার গভীর রাতে যাত্রাবাড়ি মিঠাবাড়ী এলাকায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন আর এম বি বাসের স্টাফ মুক্তার হোসেন। রাত ১টার দিকে বেশ কয়েকজন যুবক তাকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে। এ সময় তার কাছে থাকা তেল কেনার ২ হাজার ২০০ টাকা নিয়ে যায়।

তিনটি ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করে আটক করা হয়েছে কি না গতকাল জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ বলে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আটক ও খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে পুলিশকে বলেন নি, তারা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছে বলেও জানায় পুলিশ।