কেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম রুটো দাদাব শরণার্থী শিবির বন্ধ করে এতে অবস্থানরত পাঁচ লক্ষ সোমালিয়াকে স্থানান্তর করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
কেনিয়া বলছে, আল-শাবাবের সদস্যরা এই শিবিরে লুকিয়ে থাকতে পারে।
তবে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বিবিসিকে বলেছে তাদেরকে ঐ ক্যাম্পটি বন্ধ করার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
সোমালিয়ার সীমান্তের এই দাদাব শিবির আফ্রিকার সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির। চলতি মাসের ২ তারিখে সোমালিয়ার জঙ্গি সংগঠন আল-শাবাবের হামলায় কেনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৮ জন নিহত হন। এরপরেই উপ-প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই আহ্বান আসলো।
উইলিয়াম রুটো বলেছেন, জাতিসংঘের কাছে তিন মাস সময় আছে শিবিরটি বন্ধ করার এবং তাদেরকে নতুন স্থানে নিয়ে যাওয়ার। যদি সেটা করতে তারা ব্যর্থ হয় তাহলে কেনিয়া নিজেই সেটা করবে। তবে কেনিয়াতে ইউএনএইচসিআর- এর প্রতিনিধি রাওফ মাজুও বলেছেন সরকারের এই ধরণের ইচ্ছার কথা তিনি সংবাদমাধ্যমে শুনেছেন।
দাদাব শরণার্থী শিবিরটি ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সোমালিয়া থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীরাই মূলত এখানে থাকে। এই শরণার্থী শিবিরে এমন অনেকে আছেন যারা ২০ বছরের বেশ সময় ধরে এখানে রয়েছেন। আর এসব শরণার্থীদের সাথে সোমালিয়ার আল-শাবাবের সদস্যরা লুকিয়ে থাকতে পারে বলে এর আগে অভিযোগ করেছিল কেনিয়ার সংসদ সদস্যরা এবং সরকার।
