নির্বাচিত হলে যানজট নিরসন, নিরাপদ ও দূষণমুক্ত আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকন।
গতকাল রবিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সহস্র নাগরিক কমিটির ব্যানারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি। পুরনো ঢাকাকে ‘স্বপ্নের ঢাকা’ হিসেবে গড়তে ইশতেহারে পাঁচটি অগ্রাধিকারমূলক কাজের কথা বলেছেন দক্ষিণের এই মেয়র প্রার্থী। সাঈদ খোকন ঢাকা দক্ষিণের নারী-পুরুষদের উদ্দেশে বলেন, আসুন ঢাকাকে বদলে দিই। স্বপ্নের আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলি। এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে নগরপিতা নয়, ঢাকাবাসীর সন্তান হিসাবে কাজ করতে চাই।
ঘোষিত ইশতেহারে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন যানজট নিরসনকে। এছাড়া দূষণমুক্ত নাব্য ও নিরাপদ বুড়িগঙ্গা; পানি, গ্যাস ও বিদ্যুত্ তিনটি প্রধান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা; পরিচ্ছন্ন দূষণমুক্ত স্বাস্থ্যকর মহানগরী গড়ে তোলা; দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং নাগরিক নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার কথা বলেছেন।
ইশতেহারে ‘ডিজিটাল মহানগরী’ গড়ে তোলা ও সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা ছাড়াও বস্তি উন্নয়ন, দলিত-হরিজন সমপ্রদায়ের মানবিক মর্যাদা ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া, কামরাঙ্গীরচরে নতুন তিন ওয়ার্ডে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা, স্বাধীনভাবে সবার ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করা সম্ভব জানতে চাইলে সাঈদ খোকন বলেন, তার প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রতিশ্রুতি। সবার সহযোগিতা পেলে এক মেয়াদেই এসব কাজ করা সম্ভব। নির্বাচিত হলে দায়িত্ব নিয়েই তার প্রথম উদ্যোগ হবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সেল গঠন করা।
ইশতেহার ঘোষণার সময় সাঈদ খোকনের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ড. আব্দুর রাজ্জাক, সহস্র নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ শামসুল হক, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম হোসেন, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
