রীতিমতো জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। সকাল থেকে রাত অবধি প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও এতটুকু ফুসরত নেই তাদের। একই অবস্থা কর্মী-সমর্থকদেরও।
প্রচার-প্রচারণা নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকন বলেছেন, জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশা করি, আমি জয়ী হবো।
বুধবার দক্ষিণের এই মেয়র প্রার্থী তার নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন সকালে সিদ্ধেশ্বরীতে ভিকারুন্নেছা স্কুলের সামনে পথসভার মধ্যে দিয়ে। এরপর তিনি সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় জনসংযোগ করেন। ভোটারদের কাছে ইলিশ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
সাঈদ খোকন বলেন, ঐতিহ্যগতভাবেই আমার পরিবার ঢাকাবাসীর সুখ-দুঃখের অংশীদার। সবসময় তাদের পাশে থেকেছি। তাই নির্বাচনের পরে অনেক প্রার্থী’ই আর জনগণের খোঁজ রাখেন না-এমন অভিযোগ আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কোনো থানায় একটি মামলা বা সাধারণ ডায়েরি পর্যন্ত হয়নি। নির্বাচন কমিশনের সব নিয়ম-নীতি মেনেই আমি কার্যক্রম চালাচ্ছি।
সাঈদ খোকনের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, ১৯ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল, সংরক্ষিত ৫ আসনের নারী কাউন্সিলর প্রার্থী সৈয়দা রোকসানা ইসলাম চামেলী প্রমুখ।
সিদ্ধেশরীর পর সাঈদ খোকন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে ছাত্রলীগের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। নির্বাচিত হলে ঢাবি’র সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, ৪২ বছর পরে যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে পারে। তাহলে গত তিন মাসে বিএনপির তাণ্ডবের বিচার কেন হবে না! ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপির তাণ্ডবের জবাব দেওয়ার সময় এসেছে বলে তিনি জানান।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি আকতারুজ্জামান, ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম প্রমুখ।
এরপর বিকেলে সাঈদ খোকন ঢাকা বার লাইবে্ররী মাঠে আইনজীবীদের সাথে ও পরে ধানমন্ডি ১৫, ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ডে পথসভা ও জনসংযোগ করেন।
