‘বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতা-বিরোধী অপরাধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে। এ বিচারের প্রক্রিয়ায় কিছুটা অগ্রগতিও হয়েছে তবে এখনো আরো অনেক কাজ করতে হবে।’ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মারি হার্ফ এ কথা বলেন।
জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মারি হার্ফ বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ রয়েছে। আর আমরা এ বিষয়টি কী ভাবে দেখছি, তা আগে বিবৃতিতে জানিয়েছি।’
মারি হার্ফ বলেন, ‘১৯৭১ সালে যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে, তাদের বিচারের বিষয়ে আমাদের অবশ্যই সমর্থন রয়েছে। তবে এ বিচার অবশ্যই সুষ্ঠু ও অবাধ হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের হওয়া উচিত, যে বিষয়ে বাংলাদেশ সম্মত হয়েছিল। বিচারপ্রক্রিয়ায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে আরো অনেক কাজ করতে হবে।’
ঢাকা ও চট্ট্রগ্রামের তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হার্ফ বলেন—আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে তার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। এ বিষয়ে তার টিমের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান। এ ছাড়া, বিগত কয়েক মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতায় তাদের উদ্বেগ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একই দিন জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজাররিক বলেন, ‘জাতিসংঘ মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে। আমরা বলেছি—বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রশমন জরুরি।’
