‘শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা অমার্জনীয়’

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৫, ১৮:৫৪
 
 
 
 
 
 
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা অমার্জনীয়। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত চলমান রাজনীতি বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, আসামী হাতে ধরিয়ে দিল আর পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়ে মিডিয়াতে বললেন নির্দেশনা নেই। এই অজুহাত সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও ভিত্তিহীন। এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে সে যেই হোক  তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। 
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে শুধু বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে বসে থাকলে হবে না, দায়িত্ব নিতে হবে। ব্যবস্থার বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে। তিনি বলেন,  সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কলুষিত করতে বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরত রাখতে হবে। ‘আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটের নিরব বিপ্লব ঘটবে’ মর্মে সম্প্রতি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে সুরঞ্জিত বলেন,  ভোট তো হয় প্রকাশ্যে ও উত্সবের মাধ্যমে। এটা নিরব হবে কেন? ভোট সব সময় স্বরবে ও প্রকাশ্যে হয়। তার মানে খালেদা জিয়ার এখানেও কোনো মতলব রয়েছে। এতে মানুষের মনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে এটা নিরবে হবে কেন? আবার কি কোন ষড়যন্ত্র আছে? এই নিরব বিপ্লবের আহ্বানে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, একদিকে বাবা ছেলে এক সঙ্গে নির্বাচনে দাড়িয়েছে। মিরাক্কেল ঘটনার জন্ম দিয়েছে। অপর দিকে ৮ মামলার আসামীকে নিয়ে দাড় করিয়েছেন। সে ভোট করবে নাকি আদলতে যাবেন। অদ্ভুত এক পরিবেশে ভোট হচ্ছে। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ৩/৪ মাস পরে আবার নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন। তাই ধন্যবাদ। তবে ১৫৩ জন সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে মেরেছেন। এটার বিচার হবে। বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। মনে রাখতে হবে বাঘে ধরলে ছাড়ে, শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়ে না।
নৌকা সমর্থক গোষ্ঠীর সভাপতি ডা.এমদাদুল হক সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু, সাম্যবাদি দলের নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।