বড়পুকুড়িয়া কয়লা খনি, গ্যাটকো ও নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিলে খালেদা জিয়ার করা চারটি আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে। বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এসব মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চলতি বছর বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ এসব আবেদনের রুল শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে। এর মধ্যে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলায় শুনানি গ্রহণ করে রায়ের জন্য দিন ধার্য রাখে হাইকোর্ট। কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ না নেয়ায় হাইকোর্ট তিন মামলা বাতিলে খালেদা জিয়ার চারটি আবেদন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়। পরে প্রধান বিচারপতি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠান। রবিবার মামলাগুলো শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিলো। দুপুরের পর ব্যারিস্টার বাদল সময় চেয়ে বলেন, আবেদনকারীর আইনজীবীরা বার-কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এজন্য নির্বাচনের পর রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখা হোক। পরে হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালতে এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান এবং দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।
সময় আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা তিনটি দুর্নীতির মামলা বাতিল প্রশ্নে জারিকৃত রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের ডিভিশন বেঞ্চ রবিবার ওই আবেদন খারিজ করে দিয়ে শুনানি শুরুর নির্দেশ দেন। এরপর খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার এম বদরুদ্দোজা বাদল রুলের উপর শুনানি শুরু করেন। আংশিক শুনানি শেষে আগামী বুধবার পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছে আদালত।
