বাজেটে এডিপির লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ কোটি টাকার

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৫, ২০:৫২
 
আসছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) এক লাখ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে বড় প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হবে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর শেষে এসব মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান হবে। সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ১০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
 
রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি ও ব্যয় বিবেচনায় সর্বনিম্ন অগ্রগতি সম্পন্ন ১০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
 
মন্ত্রী  বলেন, এবছর প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বাস্তবায়ন কার্যক্রম দেখে আগামী বছরের বরাদ্দ দেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) জনবল বৃদ্ধিসহ সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সচিবদের নির্দেশনা দেন। আইএমইডির কর্মকর্তার সংখ্যা ৭৮ থেকে ১২০ এ উন্নীত করার কাজ চলছে।
 
চলতি বছর সংশোধিত এডিপি’র শতভাগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা মন্ত্রীকে জানিয়েছেন।
 
এসময় তিনি বলেন, ঢাকা শহরসহ বড় বড় শহরের নামিদামি স্কুলগুলোতে ভর্তি সংকট প্রকট। এজন্য সরকার এসব স্কুলগুলোর ভবনকে ১৫ থেকে ২০ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করবে। সরকার আশা করছে, এতে করে দুই লাখ ছাত্র-ছাত্রী নতুনভাবে ভর্তির সুযোগ পাবে। গ্রামের স্কুলগুলোও তিন থেকে চার তলা করা হবে বলে তিনি জানান। এসব স্কুল টাইলস দিয়ে তৈরি করা হবে।
 
মন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার জন্য কোনো স্কুল বন্ধ থাকবে না। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য স্কুল খোলা রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হবে। দেশে বিদ্যমান মহাসড়কগুলোর কাছে বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠা গ্রামীণ হাটবাজার পরিকল্পনা অনুযায়ী করবে সরকার।
 
মন্ত্রী আরো বলেন, আগামীতে সংসদ সদস্যদের অগ্রাধিকার দিয়ে একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় একজন সংসদ সদস্য পাঁচ বছরে মোট ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাবেন। তবে তিনি সরাসরি একটি টাকাও ব্যয় করতে পারবেন না। তিনি তার চাহিদা এলজিইডিকে জানাবেন। এলজিইডি প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করবে।  সব এলাকার জন্য এই বরাদ্দ সমান হবে।
 
বৈঠক সূত্র জানায়, এখন থেকে একজন প্রকল্প পরিচালককে (পিডি) একটি প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।