‘দারিদ্র্য-জলবায়ু-পরিবেশ গবেষণায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি’

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৫, ২০:২৬
 
 
 
 
দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের মতো সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলায় গবেষণার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা আরো জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্ট্যাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) যৌথ উদ্যোগে ‘দিগন্ত ২০২০: বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনে সহযোগিতা’ বিষয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউর রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইইউর গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ক আঞ্চলিক কাউন্সেলর ডেনিস ড্যামবোইস। সেমিনারে বিআইআইএসএসের চেয়ারম্যান মুন্সি ফয়েজ আহমদ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।
গওহর রিজভী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন ও প্রশ্নের উত্তর যথাযথ বৈজ্ঞানিক উপায়ে ও প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ বা গবেষণা ছাড়া সম্ভব হয় না। দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যার মোকাবিলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রের অভিজ্ঞ পেশাদার ব্যক্তিদের একসঙ্গে কাজ করার জন্য এগিয়ে আসা উচিত।’
রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশের গবেষকরা অনেক সময় গবেষণা করতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো দক্ষতা ও সম্পদের অভাব। এ ছাড়া, আঞ্চলিক গবেষণারও অপর্যাপ্ততা এখানে রয়েছে। আঞ্চলিক গবেষণা পরিচালনার জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ জরুরি।’ এ অবস্থায় দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপরও গুরুত্বারোপ করেন গওহর রিজভী।
ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন বলেন, ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে ইইউর গবেষণা কর্মসূচির মাধ্যমে এখানকার বিজ্ঞানী, গবেষকদের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ও লাভবান হতে পারে। দিগন্ত ২০২০ (হরাইজন ২০২০) কর্মসূচিতে সারা বিশ্বে ৮০ বিলিয়ন ইউরো তহবিল প্রদান করা হবে, বাংলাদেশও যার অংশ হবে।’
উল্লেখ্য, দিগন্ত ২০২০ বিষয়ে সচেতনার জন্য গত দুই দিন চট্টগ্রাম ও ঢাকায় দুটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো—দিগন্ত ২০২০-এর বহুমুখী সুযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের স্টেকহোল্ডারদের জানানো।