জমে উঠছে এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৫৪
ব্যবসায়ীদের শীর্ষসংগঠন মিনি পার্লামেন্ট খ্যাত এফবিসিসিআই নির্বাচন বেশ জমে উঠতে শুরু করেছে। বরাবরের মত এবাররেরও প্যানেল ভিত্তিক নির্বাচন হবে বলে জানা গেছে। তবে এখনো কোন প্যানেল ঘোষণা হয়নি। এ সংগঠনের ২০১৫-১৭ সালের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে ৩২ জন পরিচালক পদের জন্য ৮৬ জন প্রার্থী ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
 
এফবিসিসিআই নির্বাচন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপে ১৬টি করে মোট ৩২টি পদে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেম্বার গ্রুপ থেকে ৪৪ জন ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ৪২ জনসহ মোট ৮৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যাচাই বাছাই শেষে ৬ মে প্রার্থীদের খসড়া তালিকা এবং ১১ মে চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ এ সংগঠনের পরিচালক পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ মে। আর নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্য থেকে সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদের নির্বাচন হবে ২৫ মে। আগের নির্বাচনের মতই এবারের নির্বাচনেও নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ।
 
এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে এফবিসিসিআইয়ের বোর্ড সভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, সদস্যদের চাঁদা পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৪ মার্চ। ৩০ মার্চে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও ৯ এপ্রিল চুড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন এবং ১৯ এপ্রিল পরিচালক পদে প্রার্থিতা দাখিলের দিন ছিল।
 
নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনে সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাশা করছেন নিলয়-নিটল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাতলুব আহমাদ। এদিকে সদস্যদের সরাসরি ভোটে  সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত হোক এমন দাবি করছেন এ সংগঠনের সদস্যরা। তবে সেটা বাস্তবায়িত না হলেও অন্যান্য স্বার্থের চেয়ে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে যারা কাজ করবেন এমন সভাপতি ও সহ-সভাপতি চান তারা।
 
প্রসঙ্গত, এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচিত কমিটি দুই বছরের জন্য গঠিত হয়। বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুই দফায় ৬ মাস সময় বাড়িয়েছে। বর্তমান কমিটির সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, প্রথম সহ-সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী ও সহ-সভাপতি  হেলাল উদ্দিন।