দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রেইগ বার্থহোয়াইটের সেঞ্চুরিতে চতুর্থ দিন শেষে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৭ রানে এগিয়ে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে বার্থয়েতের অপরাজিত ১০১ রানের কল্যাণে দিন শেষে ২ উইকেটে ২০২ রান করে ক্যারিবিয়রা। এর আগে জো রুটের অপরাজিত ১৮২ রানের উপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৬৪ রানে অলআউট হয় সফরকারী ইংল্যান্ড।
৬ উইকেটে ৩৭৩ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে খেলতে নামে ইংল্যান্ড। রুট ১১৮ ও জস বাটলার ৪ রান নিয়ে খেলতে নামেন। হাতে থাকা বাকি ৪ উইকেটে আরো ৯১ রান যোগ করতে সমর্থ হয় ইংল্যান্ড। এরমধ্যে একাই ৬৪ রান করেন রুট। লোয়ার-অর্ডারে কোনো ব্যাটসম্যানই তাকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ফলে দ্বিতীয় ডাবল-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা তৈরি হয় রুটের। কিন্তু সেই স্বাদ নেয়া হলো না তার। সঙ্গীর অভাবে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে ১৮২ রানে অপরাজিত থাকেন রুট। তার ২২৯ বলের ইনিংসে ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কার মার ছিলো। ফলে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ২৯৯ রানের জবাবে ৪৬৪ রান করে ইংল্যান্ড।
১৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ৩ রানে ওপেনার ডেভন স্মিথ ব্যক্তিগত ২ রানে আউট হন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ১৪২ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন বার্থওয়েত ও ডোয়াইন ব্রাভো। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে ব্রাভো ফিরে গেলে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় উইকেটে জুটি বেেঁধ দিনের বাকি সময়টুকু ভালোভাবে শেষ করেন বার্থহোয়াইট ও মারলন স্যামুয়েলস। আর দিনের খেলা শেষ হওয়ার ১ ওভার আগে টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির স্বাদ পান বার্থহোয়াইট। শেষ পর্যন্ত ১১টি চারের সহায়তায় ২৩০ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর স্যামুয়েলস অপরাজিত আছেন ২২ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : (চতুর্থ দিন শেষে)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ২৯৯ ও ২০২/২, ৭৫ ওভার (বার্থহোয়াইট ১০১*, ডোয়াইন ব্রাভো ৬৯, ব্রড ১/২৩)।
ইংল্যান্ড : ৪৬৪/১০, ১৪৪.১ ওভার (জো রুট ১৮২*, গ্যারি ব্যালেন্স ৭৭, দেবেন্দ্র বিশু ৪/১৭৭)।
