সিটি নির্বাচনে যারা বিএনপির সম্ভাব্য এজেন্ট হবেন তাদের বাসা বাড়িতে সরকার দলীয় লোকজন নানান হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ।
শনিবার দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বাসায় বাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
হান্নান শাহ বলেন, ‘সিটি নির্বাচনে সরকার নানা ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে চায়। এর অংশ হিসেবে আমাদের এজেন্টদের হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করতে তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘সিটি নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করার স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় অবিলম্বে সেনা মোতায়েন করতে হবে। ৫ জানুয়ারির মতো সিটি নির্বাচনকে কলঙ্কিত করা হলে জনগণ ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করবে না।’
হান্নান শাহ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে যে নোটিশ দেয়া হয়েছে তা অকার্যকর। কারণ, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যে কর্মকর্তা চেয়ারপারসনকে নোটিশ দিয়েছেন, তিনি বোধহয় জানেনই না বহর কাকে বলে। খালেদা জিয়া শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গাড়ি ব্যবহার করছেন। তাই এই চিঠির প্রয়োজন ছিল না। তার বহরে তিনবার হামলা হয়েছে। তখন কমিশন কিছুই বলেনি।
ভোটে অপকর্ম করলে বিচার হবে
আসম হান্নান শাহ বলেন, আমরা নির্বাচন করতে চাই, ভোটাররা ভোট দিতে চান। তবে যারা অপকর্ম করবেন, সেইসব কর্মকর্তাদের অপকর্মের দায়ে জনতার আদালতে বিচার হবে। হান্নান শাহ অভিযোগ করেন, প্রত্যেক জায়গায় বিএনপি প্রার্থীরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। কিছু লোক সাদা পোশাকে দেখলে মনে হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, তারা বাধা দিচ্ছেন। প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকেও বাধা দেওয়া হয়েছে। ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন কি-না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ভোটের পর তার ফলাফল সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে কি-না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। এজন্য বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকরা ভোটকেন্দ্রে থেকে কাজ করবেন। কেউ ভোট ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে প্রতিহত করবেন।
