চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের মাঠে ১২ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে অর্ধেককে ‘খুঁজেই পাননি’ ভোটাররা। বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, গণসংযোগে দেখা মেলায় মেয়র পদের প্রত্যাশী এই প্রার্থীদের মুখই চেনা হয়নি ভোটারদের। শহরে তাদের পোস্টারও চোখে পড়ে কালেভদ্রে। মাঝেমধ্যে গুটিকয়েক সমর্থক নিয়ে পথে বেরিয়ে ‘দায়সারাভাবে’ ভোট চেয়েছেন তারা।
প্রচারের আলোর বাইরে থাকা এই প্রার্থীরা বলছেন, গণমাধ্যমগুলো ‘শুধু বড় দলের প্রার্থীদের নিয়ে মাতামাতি’ করায় তারা খুব একটা প্রচার পাচ্ছেন না।
চট্টগ্রামে এবার মেয়র পদে লড়ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আ জ ম নাছির উদ্দিন (হাতি), বিএনপি সমর্থিত মনজুর আলম (কমলা লেবু), জাতীয় পার্টির সোলায়মান আলম শেঠ (ডিশ এন্টেনা), ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন (চরকা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের হোসাইন মোহাম্মদ মজিবুল হক (ময়ুর) ও জাসদের শফিউল আলম (ইলিশ মাছ)। এদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় দেখা গেছে। নাছির আর মনজুর প্রতিদিনই নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
জাতীয় পার্টির নেতাদের দাবি, সোলায়মান শেঠ নগরীর তিন চতুর্থাংশ এলাকায় গণসংযোগ শেষ করেছেন। এম এ মতিন, মজিবুল হক ও শফিউল আলমের পক্ষে প্রচার চলছে ‘নানা উপায়ে’।
নগরীর আকবর শাহ এলাকার ভোটার রিকশাচালক জব্বার মিয়া বলেন, “সারাক্ষণ খালি হাতি আর কমলার কথা শুনি। বাকি মেয়র প্রার্থীর কাউরে চিনি না।”
কিন্তু বিএনএফ সমর্থিত আরিফ মঈনুদ্দিন (বাস), ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আন্দোলনের ওয়ায়েজ হোসেন ভূঁইঞা (টেবিল ঘড়ি), গাজী আলাউদ্দিন চৌধুরী (টেলিস্কোপ), সৈয়দ সাজ্জাদ জোহা (ক্রিকেট ব্যাট), সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি (ফ্লাস্ক) ও আবুল কালাম আজাদের (দিয়াশলাই) দেখা পাননি ভোটাররা।
