বিদ্যমান প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড (পিআইডব্লিউটিটি) নবায়নের আওতায় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্ট অনুস্বাক্ষর হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদি বাংলাদেশে এলে এ চুক্তির চূড়ান্ত স্বাক্ষর হবে। বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এ সব তথ্য জানান।
গত ২০ থেকে ২২ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলন করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। ওই সংবাদ সম্মেলনে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর নৌপথে ভারতের সঙ্গে পণ্য পরিবহনে সরাসরি নৌচলাচল শুরু হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রপথে সরাসরি এ পণ্য পরিবহন শুরু হচ্ছে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর।
এ চুক্তির ফলে পণ্যপরিবহনের সময় ও অর্থ দুটিই সাশ্রয় হবে। আগে ভারত থেকে সমুদ্রপথে পণ্যপরিবহনের ক্ষেত্রে কলম্ব বা সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করা হতো। এ চুক্তি হলে সরাসরি ভারত থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মংলায় পণ্য ও মালামাল খালাস করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নৌমন্ত্রী জানান—বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে নৌপ্রটোকলের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিদ্যমান প্রটোকল গত ৩১ মার্চ শেষ হয়। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি অনুসরণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন হবে।
পরবর্তী নবয়নের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে লেটার অব এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে পিআইডব্লিউটিটির মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়ছে বলেও জানান শাজাহান খান। এ সময় নৌমন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেহেদী সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
