টাইগারদের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ড্র হলো বাংলাদেশ পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট। খুলনা টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে পঞ্চম দিন শেষে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৫৫৫ রান রান সংগ্রহ করে মাঠ ছাড়ে।
এর আগে শেষ সেশনে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে অর্ধশত রানের জুটি গড়ে ফিরে গেছেন সৌম্য সরকার। সৌম্য করেন ৩৩। পরে শুভাগত হোম সাকিবের সঙ্গে এসে যোগ দেন। সাকিব ৭৬ ও হোম ২০ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন।
দেড়শ’ রানে পৌঁছে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। জুলফিকার বাবরের বলে এগিয়ে এসে তুলে মারতে গিয়ে লংঅফে বদলি ফিল্ডার বাবর আজমের ক্যাচে পরিণত হন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
৮৯তম ওভারে জুনায়েদ খানের বলে বোল্ড হয়ে যান মুমিনুল হক (২১)। পা না নিয়ে খেলার মাশুল দিয়ে বোল্ড হন প্রথম ইনিংসে ৮০ রান করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
মোহাম্মদ হাফিজের বলে স্টাম্পিং হয়ে বিদায় নেয়ার আগে ২০৬ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন তামিম। টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস এটিই। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে দ্বিশতক রান করা এই ব্যাটসম্যান ভাঙেন মুশফিকুর রহিমের (২০০) রেকর্ড।
জুনায়েদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ (৪০)। এরপর হাফিজের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন মুশফিকুর রহিম (০)।
আসাদ শফিকের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফিরে যান সৌম্য সরকার। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ৩৩ রান করে ফিরেন এই ব্যাটসম্যান।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে ৩৩২ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ৬২৮ রান তোলে সফরকারী পাকিস্তান। পরে ২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিকরা। এতো বড় স্কোরকে পেছনে ফেলে বিশ্বরেকর্ড গড়ে দলকে লিড এনে দেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েশ। তাদের জুটিই মূলত ম্যাচকে ড্র এর পথে নিয়ে যায়। দুজনে মিলে সংগ্রহ করেন ৩১২ রান।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ৩৩২/১০, ১২০ ওভার (মোমিনুল ৮০, ইমরুল ৫১, ওয়াহাব ৩/৫৫)।
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস : ৬২৮/১০ (হাফিজ ২২৪, শফিক ৮৩, তাইজুল ৬/১৬৩)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ৫৫৫/৬, ১৩৬ ওভার, তামিম ২০৬, ইমরুল ১৫০, সাকিব৭৬*।
