প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার চারটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, ৪০০ কেভি বিতরণ লাইন এবং ১৩২/৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন উদ্বোধন করবেন। খবর বাসস।
আগামীকাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আরো ৩১৪.৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। সদ্য নির্মিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে এই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এর ফলে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৩,২৬৫ মেগাওয়াট।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বিকেল পাঁচটায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উদ্বোধন করবেন।
চারটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হলো, নাটোরে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জের গগানগরে ১০২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, নরসিংদীর ঘোড়াশালে ১০৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টিতে ৫২.৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।
মেঘনাঘাট-আমিনবাজার ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার এম মাজহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাজধানী ঢাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মেঘনাঘাট থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিবি) এই লাইন স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এ জন্য সরকার ৪০০ কেভি হাই ভোল্টেজ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী এ এফ এম বদরুল আলম ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী লিমিটেডের (ডিপিডিসি) লালবাগ সাব-স্টেশনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, সরকার বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতিতে নগরীতে ১৩২/৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন স্থাপন করছে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সকল নাগরিককে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
সরকার ২০২১ সালের মধ্যে গ্রহণযোগ্য মূল্যে দেশের সকল মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশে ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩,২৬৮ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১৩,২৬৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। খবর বাসস।
